প্রগতি ত্রিপুরা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৫। বর্তমানে দেশের যুবসমাজ বেকারত্বের জ্বালায় দিশেহারা হয়ে বেআইনী ও অনৈতিক পথে জীবিকা উপর্জনের চেষ্টা করছে।
পরিযায়ী শ্রমিক ও গিগ ওয়ার্কারের মতো অনিশ্চয়তার পথে জীবিকা উপার্জনের চেষ্টা করছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি এই জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের কোন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ দপ্তরের রিপোর্ট অনুসারে ৭৮-টি সরকারি দপ্তরে প্রায় ১০ লক্ষ শূণ্য পদ আছে। রাজ্যগুলিতে লক্ষ লক্ষ শূণ্যপদে কোন নিয়োগ নেই।
বেসরকারী আইটি ও উৎপাদন ক্ষেত্রগুলি সংকোচিত করে কর্মী ছাটাই করছে। কৃষিক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যুবক কাজ করে। কিন্তু প্রতিদিন হাজার হাজার চাষী কৃষিকাজ ত্যাগ করছে।
এই অবস্থায় যতটুকু কর্মসংস্থানের সুযোগ হচ্ছে সেখানেও নিয়োগ দূর্নীতি এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। ফলে সারা দেশে বেকার যুবকদের মধ্যে প্রবল বিক্ষোভ দানা বাধছে।
উত্তরাখন্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, মধ্য প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যে হাজার হাজার বেকার যুবক রাস্তায় নেমে বিক্ষোভে ফেটে পড়ছে।
এমতাবস্থায় অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ওর্গানাইজেশন দাবি তুলছে: ১) সকল শূণ্য পদ পূরণ করা সহ নতুন পদ সৃষ্টি করে এবং ব্যাক্তিগত উদ্যোগের ব্যবস্থা করে বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে।
২) নিয়োগ দূর্নীতি বন্ধ করতে, প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ন্ত্রণ করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বেকারদের নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) নিয়োগ দূর্নীতিতে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এই দাবিগুলি নিয়ে সংগঠন সর্বভারতীয় প্রতিবাদের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
তারই অঙ্গ হিসাবে আজ সংগঠনের রাজ্য কমিটির উদ্যোগে এই দাবিগুলি নিয়ে প্যারাডাইস চৌমূহনীতে এক বিক্ষোভ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এই দাবিগুলি নিয়ে যুব আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি শ্রী ভবতোষ দে।
পরে এক প্রতিনিধি দল দেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে এক স্মারকলিপি পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা শাসকের নিকট প্রদান করে।








