প্রগতি ত্রিপুরা, ২৯ মে, ২০২৬ : ঈদের দিন সন্ধ্যায় বিরামপুর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন নামে এক যুবক নিত্য প্রয়োজনীয় সামান্য জিনিসপত্র ক্রয় করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী বাঁশপুকুর বাজারে গিয়েছিল। জিনিসপত্র নিয়ে রাত্র প্রায় সাড়ে নটা থেকে দশটার দিকে সম্ভবত নিজ বাড়িতে আসার পথে রাস্তায় দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হয়।
তবে আক্রমণকারীদের সংখ্যায় চারজন থাকলেও তিন জনকে সে চিনতে পেরেছে। প্রথম জনের নাম-ইমাম হোসেন, দ্বিতীয় জন-এলিয়াজ, তৃতীয় জন-মোচতফা। আক্রমণকারীরা সকলেই বিরামপুর গ্রামের। হঠাৎ অন্ধকার রাতে লাঠি এবং রড দিয়ে প্রচন্ডভাবে আক্রমণ চালায়। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশী মানুষজন এগিয়ে আসলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।
রাত্রেই চিকিৎসার জন্য কাঠালিয়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। সকালবেলায় ঘটনা জানাজানি হতে সংবাদ কর্মীকে খবর পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটলো! তার অভিযোগ , বিরামপুর গ্রাম দিয়ে বিভিন্ন সময়তে মালামাল নিয়ে পাচার বাণিজ্যের সাথে ওরা যুক্ত।
দুষ্কৃতীরা যখন তাকে মারধর করে তখন তারা বলতে থাকে তোর কারনে আমাদের পাছার বাণিজ্যের ক্ষতি হচ্ছে। কাঠালিয়া সামাজিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দেলোয়ার হোসেনের পিতা-মাতা উভয়ে বললেন দেখুন, আমরা এই সমস্ত কাজের সাথে কোনদিন যুক্ত নই। আমরা খেটে খাওয়া দিনমজুর। রাত পোহালে আমাদের অন্যের কাজ করে যা টাকা পয়সা পাই এটা দিয়েই পরিবার চালাতে হয়। কেন আমার ছেলেকে এমন মারধর করলো গ্রামেরই ছেলে তারপরে ঈদের দিন এটাই আমাদের দুর্ভাগ্য।
আমরা কিছুক্ষণের মধ্যে যাত্রাপুর থানায় সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে লিখিত অভিযোগ জানাবো এই তিনজনের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ করে ঈদের উৎসবের দিবাগত রাত্রি বেলায় এই জাতীয় ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার মানুষ একেবারে হতভম্ব। এখন দেখার বিষয় পুলিশ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কতটুকু কিনারা করতে পারেন! সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকার শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ।







