প্রগতি ত্রিপুরা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : ১০০০ এর উপরে দেশী ও বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের নার্সারি তৈরি করা মালিক সিদ্দিক মিয়া সরকারি সাহায্যের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্থানীয় পঞ্চায়েতের কাছে আবেদন করলেন।
সোনামুড়া মহকুমার মোহনভুক আর ডি ব্লকের অন্তর্গত গ্রানতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁঠালিয়া মুড়া ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিদ্দিক মিয়া দীর্ঘ ৩৫ বছর উপরে বিভিন্ন ফুল ও ফলের নার্সারি করে জীবন অতিবাহিত করছেন।
পাহাড়ের উপরে তার এই নার্সারি বাগান। পাহাড়ের নিচ থেকে জল সংগ্রহ করে নার্সারি বাগানে পরিচর্যা করতে গিয়ে বড় হিমশিম খাচ্ছেন।
তৎকালীন বামেদের সামান্য সহযোগিতা অল্প অল্প করে সামান্য কয়েকটি ফুল ও ফলের চারা ও বীজ রোপন করে নার্সারী বাগানটি তৈরি করেন।
প্রথম দিক থেকে বামেদের আমলে হর্টিকালচার বিভাগ এবং কৃষি দপ্তরের কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়ে নার্সারি বাগানটি তৈরি করেন।
আস্তে আস্তে নার্সারি বাগানের মালিক সিদ্দিক মিয়া নার্সারিটিকে বড় আকারে তৈরি করার জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে উন্নত মানের বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও ফলের বীজ রোপন করে এখন তার বর্তমান নার্সারী বাগানে প্রায় এক হাজারের উপরে চারা গাছে রয়েছে।
২০১৮ তে বিজিবি সরকার আসার পর, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের লোক, সিদ্দিক মিয়ার এ নার্সারি বাগান পরিদর্শন করে, বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু পেয়েছেন কতগুলা জলের পাইপ।
আর কিছুই পাননি, তৎকালীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এর হাতে জাপানের দুটি জাইকা আম তুলে দেন সিদ্দিক মিয়া। বিপ্লববাবু আশা দিয়েছিলেন তাকে আর্থিক দিক দিয়ে সহযোগিতা করবেন।
কিন্তু আজ পর্যন্ত তিনি কোন সহযোগিতা পাননি। বর্তমান তার নার্সারিতে, জলের বিরাট সমস্যা, তাছাড়া আধুনিকভাবে তার নার্সারি টিকে আরো পরিসরে বড় করার জন্য, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তর এবং স্থানীয় পঞ্চায়েতের কাছে আর্থিক অনুদান পাওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছেন।
এখন দেখার বিষয়, এই অসহায় সিদ্দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় কি না তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।








