প্রগতি ত্রিপুরা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : শুক্রবার ধর্মনগর থানায় টেলিফোনে খবর আসে যে,ধর্মনগর থানাধীন ডুপিরবন্দ লালছড়া কলোনির ৩ নং ওয়ার্ড এলাকায় এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ দেখা গেছে ।
খবর পেয়ে এসআই নিরঞ্জন মালাকার ও মিহির চন্দ্র নাথ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করেন। জানা গেছে,মৃত ব্যক্তির নাম রবীন্দ্র দাস। এ বিষয়ে ধর্মনগর থানার ওসি মীনা দেববর্মা জানান,মৃত ব্যক্তি গতকাল রাত প্রায় ৩টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং এরপর আর ফেরেননি।
পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করলে পরবর্তীতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান।পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ধর্মনগর জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। লোকমুখে শিশু বিক্রির একটি বিষয় নিয়ে সমস্যার কথা উঠলেও পরিবারের দাবি,এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং টাকার বিনিময়ে কাউকে বিক্রি করার প্রশ্নই ওঠে না।
ওসি মীনা দেববর্মাও জানান,এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি। এদিকে মৃতের স্ত্রী জানান,তিনি গতকাল অসমের শিলচর থেকে চিকিৎসা সেরে বাড়ি ফিরেছিলেন। সেদিন সবকিছু স্বাভাবিকই ছিল।
বিকেলে শহরে গিয়ে কাজ সেরে বাজার থেকে মাছ নিয়ে বাড়ি ফেরেন রবীন্দ্র দাস। রাতে নিজ হাতেই রান্না করে খাবার শেষে দুই সন্তানকে খাইয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাত প্রায় ২টা পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তাও হয় বলে জানান তিনি।
তবে ঠিক কী কারণে রবীন্দ্র দাস এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন,তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে নানান প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়,ধর্মনগর থানার পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে পারে কি না!








