প্রগতি ত্রিপুরা, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫: উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে খুন হয় রাজ্যের ছাত্র এঞ্জেল চাকমাকে। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠে একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, গত ৯ ডিসেম্বর কিছু ঘরোয়া সামগ্রী কিনতে তিনি ও তাঁর দাদা মাইকেল চাকমা বাজারে গিয়েছিলেন সেই সময় কয়েকজন মদ্যপ যুবক বর্ণবিদ্বষী মন্তব্য করতে থাকেন।
তার প্রতিবাদ করেন অ্যাঞ্জেল এবং বচসায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ সেই সময়, হঠাৎ ধারালো অস্ত্র দিয়ে অ্যাঞ্জেল ও দাদা মাইকেল চাকমা উপর আক্রমণ করে দুষ্কৃতীরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পাশাপাশি বেধড়ক মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। অ্যাঞ্জেল রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন যুবক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।
মৃত্যু হয় অ্যাঞ্জেলের। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অ্যাঞ্জেলের মাথা ও ঘাড়ে গভীর আঘাত লেগেছিল। গত ২৬ ডিসেম্বর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এঞ্জেল। এই খুনের প্রতিবাদে সোমবার রাজধানীতে মোমবাতি হাতে নিয়ে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করল ত্রিপুরা চাকমা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন।
এইদিন রাজধানীর বিবেকানন্দ ময়দান থেকে মিছিলটি শুরু করে আগরতলা শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে পুনরায় স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। সংগঠনের নেতৃত্বরা দাবি জানান এঞ্জেল চাকমার হত্যার ঘটনার সাথে যারা জড়িত অবিলম্বে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সন্ধ্যায় আগরতলা শহরে প্রতীবাদ কর্মসূচি পালন করল বামপন্থী চারটি ছাত্র-যুব সংগঠন। এইদিন রাজধানীর সিটি সেন্টারের সামনে মোমবাতি প্রজ্জলন করে প্রতীবাদ কর্মসূচি পালন করল চার বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠন। সংগঠনের নেতৃত্বরা এঞ্জেল চাকমার মৃত্যুর ঘটনার জন্য দেশের সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেন।








