প্রগতি ত্রিপুরা, ৫ নভেম্বর, ২০২৫: আজ বুধবার আসন্ন রাজ্য সম্মেলন ও প্রকাশ্য সমাবেশ নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন সিটু নেতৃত্ব।
সিটু রাজ্য সভাপতি মানিক দে, সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দত্ত, পাঞ্চালি ভট্টাচার্য, অমিতাভ দত্ত সাংবাদিক সম্মেলনে মিলিত হলেন আজ।
শংকর প্রসাদ দত্ত জানান, সিটু শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ লাগব করার জন্য, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে লড়াই করছে।
শ্রমিকদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করা হয়েছে। শ্রম ক্ষেত্রে আক্রমণ করা হয়েছে।
২০১৮সালের পর প্রকল্প কর্মী সহ অনেকেই কাজ থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে। নির্মাণ শ্রমিকরাও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।
বিজেপি সরকারের অপদার্থতার কারণে এমন পরিস্থিতি।শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ে ও লড়াই মজবুত করার আহবানে আগামী ১০-১১ নভেম্বর রাজ্য সম্মেলন চলবে৷
১০ নভেম্বর আগরতলায় সমাবেশ ঐতিহাসিক রূপ পাবে বলে শংকর প্রসাদ দত্তের বার্তা। মানিক বলেন বিশ্বস্ত শ্রমজীবী মানুষের সংগঠন সিটু।
শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য রক্ষায় সিটুর আদর্শ লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল। ৫৫ বছরের মধ্যে সিটু শ্রমিক শ্রেণির কাছে বিশ্বস্ত সংগঠন ও শ্রমিক শ্রেণির ঐক্য রক্ষা করতে চায়।
কিন্তু আরএসএস সহ সামপ্রদায়িক শক্তি সেই ঐক্য ভাঙতে চায়। ১ লাখ ৮ হাজারের বেশি সভ্য ত্রিপুরায়। ৪০০+ প্রতিনিধি আসবেন রাজ্য সম্মেলনে।
সামপ্রদায়িক শক্তি বিভেদকামী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই, বিকল্প ভাবনায় আলোচনা হবে। শ্রমজীবী মানুষের ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সবাইকে শামিল করানো।
প্রতিদিন দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। পরিস্থিতি তুলে ধরেন। লুটেরার পরিবারগুলো দেশের সম্পদ জলের দরে বিক্রি হচ্ছে।
ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলো সিটু নেতৃত্ব। রাজ্যে সংগঠন করতে দেওয়া হচ্ছে না। কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ‘তারা’ তো বন্ড কিনে, সিটু ১০-১৫ টাকা নিচ্ছে।
‘ওরা’ তো তোলাবাজি করছে। পরিবহন শিল্প ভালো না। প্রকাশ্য সমাবেশ করার জন্য আস্তাবল ময়দানে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা দেওয়া হবে না।
বিকল্প হিসেবে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু তা অনুমতি দেবে আশাবাদী। ১২টায় ১০ নভেম্বর প্রকাশ্য সমাবেশ হবে।








