ত্রিপুরার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ৩১আগস্ট, ২০২৬:  গুণগত মান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জাতীয় সড়কগুলির নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রিপুরার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করে তোলার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। আজ বিধানসভায় উল্লেখ পর্বে বিধায়ক অন্তরা সরকার দেবের আনা একটি নোটিশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। বিধায়ক অন্তরা সরকার দেবের নোটিশটি ছিল ‘আগরতলা-খোয়াই-কমলপুর-কৈলাসহর জাতীয় সড়কের নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে’।

নোটিশটির বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৪-১৫ সালের পূর্বে এনএইচ-৮ তথা চুড়াইবাড়ি থেকে আগরতলা, উদয়পুর হয়ে সাব্রুম পর্যন্ত মাত্র ১টি জাতীয় সড়কের উন্নীতকরণের কাজ চলমান ছিল যার দৈর্ঘ্য ৩১৯ কিমি। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরবর্তীতে আরও ৫টি জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। সড়কগুলো হলো- এনএইচ-৪৪-এ, মনু থেকে শিমলুং ১৩৪.০০ কিমি, এনএইচ-২০৮- কুমারঘাট-কৈলাসহর-কমলপুর-খোয়াই-তেলিয়ামুড়া, অমরপুর-হরিণা (সাব্রুম)- ২৬৫.০০ কিমি, এনএইচ-২০৮-এ- কৈলাসহর-কুর্তি- ৪৫.০০ কিমি, এনএইচ-১০৮-বি- খোয়াই-আগরতলা- ৫৫.০০ কিমি এবং এনএইচ-১০৮-এ- জোলাইবাড়ি-বিলোনীয়া ২২.৯০ কিমি।

ত্রিপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে আগরতলা-খোয়াই-কমলপুর-কৈলাসহর-কুর্তি জাতীয় সড়কটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন। মূলত তিনটি জাতীয় সড়ক- এনএইচ -১০৮-বি, এনএইচ-২০৮ (এর অংশ) এবং এনএইচ-২০৮-এ-এর সমন্বয়ে গঠিত এই রাস্তাটি এনএইচ-০৮-এর একটি বিকল্প জাতীয় সড়ক। প্রথম অংশটি হলো এনএইচ-১০৮-বি, যা আগরতলা থেকে খোয়াই পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। দ্বিতীয় অংশটি হলো খোয়াই, কমলপুর ও কৈলাসহরকে যুক্ত করা এনএইচ-২০৮ অংশ, যার দূরত্ব ৮০.২০ কিলোমিটার। শেষ অংশটি হলো এনএইচ-২০৮-এ-, যা কৈলাসহর থেকে কুর্তি ব্রিজ পর্যন্ত ৩৬.২৫ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং এটি আসামের কুকিতলে গিয়ে এনএইচ-০৮-এর সাথে মিলিত হয়েছে। এই বিকল্প জাতীয় সড়কটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৫৪.৪৫ কিমি। এই সড়কটিকে ২-লেনে উন্নীত করার জন্য মোট ১১টি প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়েছে এবং সম্পূর্ণ কাজটি বর্তমানে এনএইচআইডিসিএল-এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগরতলা থেকে খোয়াই (এনএইচ-১০৮-বি) অংশে ৩টি প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়েছে। প্যাকেজ-১-এ রয়েছে লেম্বুছড়া-মোহনপুর, ১২.৮ কিমি রাস্তা। এই অংশের কাজ ২২.০৪.২০২৩ তারিখে সম্পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ ইপিসি ঠিকাদার দ্বারা করা হচ্ছে। প্যাকেজ-২-এ রয়েছে মোহনপুর-সুবলসিং/হেজামারা, ১২ কিমি রাস্তা। এই প্যাকেজের কাজটি প্রথমে ০৮.০৬.২০২১ তারিখে মেসার্স কেএলডি ক্রিয়েশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডকে দেওয়া হয়। তবে, কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক না হওয়ায়, ১৮.০৭.২০২৩ তারিখে এনএইচআইডিসিএল-এর সদর দপ্তর থেকে মেসার্স কেএলডি ক্রিয়েশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেডের চুক্তিটি বাতিল করা হয়। পরবর্তীকালে, বাকি কাজের জন্য নতুন করে দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করা হয় এবং কাজটি মেসার্স সাহু কনস্ট্রাকশনকে ০১.০৩.২০২৪ তারিখে দেওয়া হয়। ইপিসি ঠিকাদার (সাহু কনস্ট্রাকশন) প্রকল্পটির মাত্র ৫১.১৪% ভৌত অগ্রগতি (ফিজিক্যাল প্রোগ্রেস) অর্জন করতে পেরেছে এবং নির্ধারিত তারিখ অর্থাৎ ১৯.০১.২০২৬-এর মধ্যে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় চুক্তিপত্রের নিয়ম অনুযায়ী ইপিসি ঠিকাদারকে বিভিন্ন সময়ে নোটিশ প্রদান করা হয়। এছাড়া, এই সময়ে সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি তৃতীয় পক্ষ সংস্থাকে সেই কাজ দেওয়া হয়।

পাশাপাশি, চুক্তিপত্র অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ বাবদ জরিমানা হিসেবে ৭.০১ কোটি টাকা এনএইচআইডিসিএল দ্বারা আটকে রাখা হয়। ২০২৬ সালের জুন-জুলাই মাসে ভারী বর্ষণের কারণে সড়কটির এই অংশে ব্যাপক কাদা তৈরি হয়। ইপিসি ঠিকাদারের পক্ষ থেকে কাদা সরানো এবং গর্ত ভরাটের কাজ করা হচ্ছিল, তবে ক্ষতি ও বৃষ্টিপাতের তুলনায় তা পর্যাপ্ত মাত্রায় ছিল না। সড়কটি যেন চলাচলের উপযোগী থাকে এবং রাস্তার অবস্থার উন্নতি হয়, সেজন্য ইপিসি ঠিকাদারকে ক্রমাগত অনুরোধ করা হচ্ছিল। তবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী রাখতে ব্যর্থ হওয়ায়, ২৩.০৭.২০২৬ তারিখে ইপিসি ঠিকাদারকে একটি সাময়িক বরখাস্তের নোটিশ (সাসপেনশন নোটিশ) দেওয়া হয়। একই সাথে, নিরবচ্ছিন্ন যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করতে এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা বজায় রাখতে, এনএইচআইডিসিএল তাদের নিজস্ব বিভাগীয় ব্যবস্থার (বিকল্প সংস্থা) মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় অত্যন্ত জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজ শুরু করে এবং বর্তমানে কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই যানবাহন চলাচল করছে এবং প্রকল্পের এই অংশের সার্বিক চলাচলযোগ্য অবস্থা দিন দিন উন্নত হচ্ছে। তাছাড়া, চুক্তিপত্র অনুযায়ী ১৩.০৭.২০২৬ তারিখে ইপিসি ঠিকাদারকে একটি ৬০ দিনের ‘কিউর পিরিয়ড নোটিশ’ (ত্রুটি সংশোধনের সময়সীমার নোটিশ) দেওয়া হয় এবং এই কিউর পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর, চুক্তিপত্রের নিয়ম অনুযায়ী উক্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তথা টার্মিনেশন করা হবে এবং পরবর্তীতে নতুন ঠিকাদার চূড়ান্ত করা হবে। তবে নতুন ঠিকাদার নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এনএইচআইডিসিএল এই রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী রাখার ব্যবস্থা করে রাখবে।

প্যাকেজ-৩-এ রয়েছে সুবলসিং/হেজামারা-খোয়াই, ১৩.২০ কিমি রাস্তা। এই কাজ ৩০.০৫.২০২৪ তারিখে সম্পূর্ণ হয়েছে। বর্তমানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ ইপিসি ঠিকাদার দ্বারা করা হচ্ছে। খোয়াই থেকে কৈলাসহর (এনএইচ-২০৮) অংশে ৫টি প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়েছে। প্যাকেজ-৫-এ রয়েছে খোয়াই-শ্রীরামপুর, ২৫.৬ কিমি রাস্তা। এই কাজটি ১৭.০৪.২০২৩ তারিখে সম্পন্ন হয়েছিল। নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এই অংশে বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও কাঠামোগত ক্ষতি দেখা দেয়। যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এনএইচআইডিসিএল-কে ত্রুটিগুলি মেরামতের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। মেরামতের কাজে বিলম্ব এবং জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ১০ মে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করির নিকট একটি ডিও লেটার প্রেরণ করা হয় এবং সড়কগুলির কাঠামোগত ত্রুটির বিষয়ে জরুরি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ জুন ২০২৫ তারিখে এনএইচআইডিসিএল-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং রাজ্য পূর্ত দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যৌথ উচ্চপর্যায়ের ক্ষেত্র পরিদর্শন করা হয়। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নির্দেশে সিআরআরআই-এর বিশেষজ্ঞ দল ২৩ থেকে ২৭ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলি পরিদর্শন করে কারিগরি মূল্যায়ন সম্পন্ন করেন। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সংস্কার ও মেরামতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও, ত্রিপুরা পূর্ত দপ্তরের সচিব এবং পূর্ত দপ্তর (এনএইচ)-এর অন্যান্য আধিকারিকরা একাধিকবার বিভিন্ন জাতীয় সড়ক সরেজমিনে পরিদর্শন করে এনএইচআইডিসিএল-এর আধিকারিকদের রাস্তার গুণগত মান ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেন।

প্যাকেজ-৪-এ রয়েছে শ্রীরামপুর-বামনছড়া, ১২ কিমি রাস্তা। কাজটি ২১.১১.২০২৪ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে কিছু গর্ত ও স্যাটেলমেন্ট দেখা দিলেও ইপিসি ঠিকাদার তা মেরামত করেছেন এবং করছেন। রাস্তা প্যাকেজ-৩-এ রয়েছে বামনছড়া-জুরিছড়া, ১৪.৫ কিমি রাস্তা। কাজটি ২৬.০৫.২০২৩ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ ইপিসি ঠিকাদার দ্বারা করা হচ্ছে। প্যাকেজ-২ (জুরিছড়া-ফুলতলি, ২০.০০ কিমি) কাজ ০২.০২.২০২৩ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ ইপিসি ঠিকাদার দ্বারা করা হচ্ছে। প্যাকেজ-১ (ফুলতলি-কৈলাসহর, ৮.১ কিমি) এই অংশের ৯৮ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে এবং বাকি কাজ আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। কৈলাসহর থেকে কুর্তি ব্রিজ (এনএইচ-২০৮-এ-) ৩৬.২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কৈলাসহর থেকে কুর্তি ব্রিজ অংশের কাজটি মোট তিনটি প্যাকেজে হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি প্যাকেজের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি প্যাকেজ তথা রাগনা থেকে কুর্তি ব্রিজের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, চুক্তির নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে এই অংশের পূর্ববর্তী ইপিসি ঠিকাদার মেসার্স এ কে কন্সট্রাকশানকে ২১.০৭.২০২৩ তারিখে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে ০১.০৯.২০২৪ তারিখে মেসার্স ব্রহ্মপুত্র ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডকে নিযুক্ত করা হয়। বর্তমানে কাজের অগ্রগতি ৫৩.২৬ শতাংশ এবং বাকি অংশের কাজ আগামী ডিসেম্বের মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা আছে। গত ১ জুলাই নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি এবং এনএইচআইডিসিএল-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে সড়কগুলির দ্রুত ও স্থায়ী মেরামত এবং অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন। বর্তমানে এনএইচআইডিসিএল এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক সহায়তায় রাজ্যের বিভিন্ন জাতীয় সড়কের পুনর্নির্মাণ, ২-লেন ও ৪-লেন উন্নীতকরণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলির গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলি সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রক এবং এনএইচআইডিসিএল-এর সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ হলে ত্রিপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে বিকল্প জাতীয় সড়কটি সম্পূর্ণ হলে এনএইচ-০৮-এর ওপর নির্ভরতা কমবে, উত্তর ও মধ্য ত্রিপুরার সঙ্গে রাজধানী আগরতলার একটি নির্ভরযোগ্য ও সব ঋতুর জন্য বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। বর্তমানে ত্রিপুরা মূলত একটিমাত্র প্রধান মহাসড়ক এনএইচ-০৮-এর ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

আসাম-আগরতলা সড়কে কোনও কারণে ধস বা বন্যার জন্য রাস্তা বন্ধ হলে রাজ্যে খাদ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই বিকল্প জাতীয় সড়কটি সম্পূর্ণ হলে সেই একক নির্ভরতা অনেকটাই কাটবে। এর ফলে সময় ও জ্বালানি উভয়ই সাশ্রয় হবে এবং আমাদের কৃষক, ব্যবসায়ী, ছাত্রছাত্রী সহ সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। পাশাপাশি রাজ্যের পর্যটন, বাণিজ্য, শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। রেফারেন্স পিরিয়ডে বিধায়ক অন্তরা সরকার দেবের উত্থাপিত বিষয়ের উপর বিধায়ক নির্মল বিশ্বাসও আলোচনা করেন।

Leave a Comment