প্রগতি ত্রিপুরা, ২৫ মে, ২০২৬: ধরতি আবা জনভাগীদারি অভিযান কর্মসূচির আওতায় ১৯ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত পশ্চিম জেলায় ৮টি ব্লকের ৩৫টি এডিসি ভিলেজে ৬৮টি শিবির করা হয়েছে। এই শিবিরগুলিতে ১১ হাজার ১১৭ জন জনজাতি অংশের নাগরিক অংশগ্রহণ করেছেন। আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে জেলাশাসক ও সমাহর্তা ডা. বিশাল কুমার এই সংবাদ জানিয়েছেন।
তিনি জানান, এই কর্মসূচিতে ৬৮টি শিবিরের মাধ্যমে ৮৩৮ জনের আধার কার্ড নিবন্ধন ও সংশোধন করা হয়েছে। ৯২৬ জনকে এস.টি. সার্টিফিকেট ও পি.আর.টি.সি. দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২৯৭ জনকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড, ৩১ জনকে জমির পাট্টা, ৪৬ জনকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, ৫৫ জনকে রেশন কার্ড দেওয়া হয়েছে। শিবিরগুলিতে স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে ২,৭০০ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়েছে।
শিবিরগুলিতে স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও শিবিরগুলিতে প্রধানমন্ত্রী মাতুবন্দনা যোজনায় ২০ জন জনজাতিভুক্ত প্রসূতি মাকে আর্থিক সহায়তা এবং ১৮৩ জন কৃষককে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি যোজনার আওতায় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনায় ৩৯ জনকে স্বল্প সুদে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনার সুবিধা দেওয়া হয়েছে ২০টি পরিবারকে।
পি.এম. পেনশন যোজনার সহায়তা দেওয়া হয়েছে ৪০টি পরিবারকে। এছাড়া পি.এম. জনধন যোজনায় ৪০টি, পি.এম. জীবনজ্যোতি বীমা যোজনায় ২৩টি, পি.এম. সুরক্ষা বীমা যোজনায় ১৬টি পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে পি.এম. উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ৫০টি পরিবারকে এল.পি.জি. গ্যাসের কানেকশন দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে পশ্চিম জেলা জনজাতি কল্যাণ আধিকারিক অভিরাম দেববর্মা ও বিশেষ জনজাতি কল্যাণ আধিকারিক তরুণ দেববর্মা উপস্থিত ছিলেন।








