প্রগতি ত্রিপুরা, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬: নিজে দোকান ক্রয় করে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এক ব্যক্তি। এমনই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে কদমতলা থানায় পরপর দুটি এজাহার দায়ের করলো দোকান মালিক বাপ্পন কুমার দাস। বিবরণে তিনি জানান, গত বছরের জানুয়ারি মাসে আসামের শ্রীভূমি জেলার বারইগ্রামের বাসিন্দা অনি মালাকারের নিকট থেকে প্রেমতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পাঁচ শতক জায়গা ক্রয় করেন।
এরপর যথারীতি দোকান নির্মাণ করে তিনি ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু এর মাস খানেকের মধ্যেই বাঘন গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা লাবণ্য মালাকারের ছেলে লিটন মালাকার(৩০) উক্ত জায়গার বিক্রি করা মূল মালিক রিনা মালাকারকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে এবং জায়গা পুনরায় ফিরিয়ে পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে বাপ্পন মালাকারের দোকানের উপর জবরদখল নেয় বলে অভিযোগ। তখন বাপ্পন দাস কদমতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রিনা মালাকার স্বামী মৃত অতুল মালাকার এবং লিটন মালাকারের বিরুদ্ধে।
তখন কদমতলা পুলিশ সেই দোকান ভিটা তালা মারে এবং ন্যায় বিচারের পর মূল মালিকের হাতে হস্তান্তর করা হবে বলে জানায়। কিন্তু সেই মামলাটি বিচারাধীন অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও লিটন মালাকার ও তার সাঙ্গ পাঙ্গ মিলে বুধবার বন্ধ দোকান ঘর ও গুদাম খুলে রাতারাতি নিজেরা দোকান খুলে বসে। তাতে দোকান মালিক বাপ্পন দাস হতচকিত হয়ে পুনরায় কদমতলা থানায় অপর একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।
পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, প্রশাসনের কাছে তিনি ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে এই দুই অভিযোগ দায়ের করেছেন লিটন মালাকার ও রিনা মালাকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু তিনি আরো জানান, রিনা মালাকার যখন বুঝতে পারলেন উনাকে প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবহার করে লিটন মালাকার সেই জায়গার দখল নিতে চাইছে তখন তিনি সরে যান। কিন্তু নিজের স্বার্থের জন্য লিটন মালাকার উক্ত মহিলাকে বিভিন্ন ভয়-ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এখন প্রশাসনের ন্যায় বিচারের পর আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে অনুমান।








