প্রগতি ত্রিপুরা, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: নেশা বিরোধী অভিযানে ফের উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ।শনিবার আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়কের ৪১ মাইল নাকা এলাকায় নিয়মিত চেকিং চলাকালীন এবং ওসি সনের দেববর্মা উনার কাছে এক গোপন সূত্রে প্রাপ্ত খবরের ভিত্তিতে একটি বিলাসবহুল ‘থার’ গাড়ি (নম্বরবিহীন) আটক করে পুলিশ। এরপর গাড়িটিতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশির সময় গাড়ির ভেতর থেকে সাতটি সাবানের কেসে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি কিছু পরিমাণ নিষিদ্ধ কফ সিরাপও উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এই ঘটনায় গাড়িতে থাকা তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কিসান, আইপিএস এবং ডি.সি.এম সন্দ্বীপ দেববর্মা।
অভিযানের পুরো বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তাঁরা। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কিসান, আইপিএস জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে যে মেঘালয় থেকে এই নেশা সামগ্রী ত্রিপুরায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। বিষয়টির সঙ্গে একটি বৃহত্তর নেশা পাচার চক্র জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকল দিক খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এই মামলার সঠিক ও গভীর তদন্ত চালানো হবে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যে নেশা সামগ্রীর অবাধ প্রবাহ রুখতে আগামী দিনেও এ ধরনের নাকা চেকিং ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
মুঙ্গিয়াকামি থানার এই সাফল্যে পুলিশের তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। আপনি চাইলে শিরোনাম আরও কড়া করা, বা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা হয়েছে—সেই তথ্য যোগ করে আরও সমৃদ্ধ করে দেওয়া যাবে।








