রাজ্যে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান দপ্তর পতঙ্গবাহিত রোগ সংক্রমণ রোধ করতে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নিয়মিত বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী জনস্বাস্থ্য কৌশল গ্রহণ করেছে। রাজ্যের সমস্ত জেলায় আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে নিয়মিতভাবে সচেতনতা শিবির ও বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির পরিচালনা করা হচ্ছে।

জ্বর বা ডেঙ্গুর লক্ষন দেখা দিলেই দ্রুত ব্যাপকভাবে রক্ত পরীক্ষা, লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়িকর্মী এবং মাল্টিপারপাস হেলথ ওয়ার্কাররা সর্বাধিক প্রভাবিত অঞ্চলে প্রতিটি পাড়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাসিন্দাদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী কী করণীয় সে বিষয়ে শিক্ষা দিচ্ছেন। বিভিন্ন জেলায় সন্দেহভাজন ডেঙ্গু রোগীদের নিশ্চিতকরণের রক্ত পরীক্ষার জন্য ব্যাপক সংখ্যক নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ডেঙ্গুর সংক্রমণ রোধে স্থানীয়দের ওষুধযুক্ত মশারী বিতরণ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা এলাকাগুলোতে মশার প্রজনন স্থান হ্রাস করার জন্য ব্যাপক সমীক্ষা চালাচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর্মীরা জনসচেতনতার মাধ্যমে এলাকায় জনগণের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধমূলক বিষয়ে তথা, শিক্ষা ও যোগাযোগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিভিন্ন জেলায় ব্যানার, ফ্রেক্স প্রদর্শনের মাধ্যমে পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রচারাভিযান করা হচ্ছে।

গোমতী জেলা পত্রঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সমগ্র জেলায় কীটনাশক সাইড্রগ্রিন দু’দফায় স্প্রে করা হয়েছে। এবছর মে ২০২৫ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই স্প্রে কর্মসূচি বাস্তাবায়ন করা হয়। এজন্য মোট ১৪টি করার দলকে এই কাজে লাগানো হয়। প্রতি দফায় প্রায় ১৬,০০০ বাড়িতে স্প্রে করানো হয়েছে। এরমধ্যে জেলায় মোট ১.৯৯৪টি ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে এবং ২.৬৯৮টি এলিজা পরীক্ষার মধ্যে মাত্র পাঁচজনের ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পরে।

প্রত্যেককে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া রোগীদের জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সহায়তায় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। এই বছর অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত মোট ১,৪৭,০১৯টি ম্যালেরিয়া পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে উপসর্গযুক্ত রোগীদের মধ্যে মোট ৯১.৮৩০টি পরীক্ষা করা হয়।

এর মধ্যে পজিটিভ হওয়া মোট ১১৯ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। গত ২০২৪ এ মোট ১.৬৯.৯৭৬টি রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং এরমধ্যে পজিটিভ হওয়া মোট ৪৮৬ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এছাড়াও, উচ্চ-ঝুঁকিপ্রবন অঞ্চলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে গত ২০২৪ এ মোট ১,০৮,৯০৭টি দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ করা হয়।

এদিকে স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি জেলায় জনসম্পৃক্ততা এবং জন সচেতনতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। গত জানুয়ারি ২০২৫ থেকে মোট ২১৯টি স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। উনকোটি জেলার প্রতিটি নাগরিকের জন স্বাস্থ্য সুরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সোসাইটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে ও সচেতনতা বাড়াতে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।

সম্প্রতি কৈলাশহর সহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চালে ডেঙ্গু সংক্রমণ পরিলক্ষিত হওয়ায় জেলা প্রশাসন ও পরিবার কল্যাণ সোসাইটি যৌথ উদ্যোগে পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে নিবিড় নজরদারি ও ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে অন্যতম হল মশার প্রজনন উৎসগুলি ধ্বংস করে ডেঙ্গু সংক্রমণ শৃঙ্খলাকে ভেঙে দেওয়া। উত্তর জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত ১১ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে ১১ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলিতে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও মোকাবিলায় বিশেষ পরিদর্শন করছেন।

এরমধ্যে বুদ্ধনা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র এলাকা সহ অন্যান্য এলাকাগুলোতেও র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক অ্যান্টিজেন কিট-এ পজিটিভ কেইস বৃদ্ধির খবর পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় মোট ৪৭৮টি র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফলে মোট ১৭৮ জন সন্দেহভাজন ডেঙ্গু পজিটিভ রোগী সনাক্ত করা হয়। জেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সোসাইটি এবং জেলা প্রশাসন যৌথভাবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সব রকম সতর্কতামূলক ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

পাশাপাশি ডেঙ্গু সংক্রমণ মোকাবিলা ও নিয়ন্ত্রণে জেলাশাসক ও কালেক্টর-এর সভাপতিত্বে আন্তঃবিভাগীয় কনভারজেন্স সভা, বিভিন্ন দপ্তরের সাথে এক আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় সভা করা হয়। ক্লিনিক্যাল টাস্কফোর্স গঠন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনার জন্য জেলা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিকাঠামো শক্তিশালীকরণ ল্যাবরেটরি পরিষেবা জোরদার করা হয়েছে। আশা কর্মী সহ পঞ্চায়েতের স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বায়োলার্ভিসাইড স্প্রে করা হচ্ছে।

বিভিন্ন জলাশয়ে মশার লার্ভা দমনের জন্য টেমেফস প্রে করা হচ্ছে। স্কুল স্তরে সচেতনতায় রাষ্ট্রীয় বাল স্বাস্থ্য কার্যক্রম মোবাইল হেলথ টিম-এর মাধ্যমে সচেতনতামূলক কর্মসূচি করা হচ্ছে। সর্বোপরি বাক্তিগত সুরক্ষায় মশার কামড় থেকে রক্ষা পেতে পুরো হাতাওয়ালা পোশাক পরিধান করা এবং রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারী ব্যবহার করার জন্য সকলকে আহ্বান করা হচ্ছে।
খোয়াই জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসূচি সংঘঠিত করা হয়েছে।

এই ১০ মাসে স্বাস্থ্য শিবির, নিবিড় পর্যবেক্ষণ, মশারি বিতরণ এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলায় পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে নানাবিধ সমন্বয়ের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু প্রবণ এলাকাগুলোতে ২০০টিরও বেশি স্বাস্থ্য শিবির করা হয়েছে। এদিকে আশাকর্মীরা বাড়ি-বাড়ি নজরদারির মাধ্যমে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে অনুসন্ধান কার্য করছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৫৭৪৭জনের ম্যালেরিয়া পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ২১৬ জন পজিটিভ রোগীকে চিহ্নিত করা হয়।

স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁদেরকে দ্রুত ও সম্পূর্ণ চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরী ভিত্তিতে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলার মোট ৫২টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও এডিসি ভিলেজ এলাকায় মোট ৬৫,০০০টি দীর্ঘস্থায়ী কীটনাশকযুক্ত মশারি বিতরণ করা হয়েছে। মশারির সঠিক ও নিয়মিত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য আশা কর্মীদের মাধ্যমে পক্ষকাল ব্যাপী এই মশারীর ব্যবহার অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলার সমাজ এলাকায় নির্বিঘ্নে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলাশাসক ও সমাহর্তার পৌরোহিত্যে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের আধিকারিকদের অংশগ্রহণে জেলা স্তরের আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়াও, বুঝ উন্নয়ন আধিকারিকদের সভাপতিত্বে ব্লক স্তরে অনুরূপ সমন্বয় সভা করা হয়। জেলায় জনসচেতনতায় গত ২৫ এপ্রিল ২০২৫ বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস এবং জুন মাসকে ম্যালেরিয়া বিরোধী মাস হিসেবে পালন করা হয়েছে।

সম্প্রতি অক্টোবর-নভেম্বর মাসে জেলার দুটি মহকুমার বিভিন্ন স্থানে ছয় দিন ধরে পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে একটি প্রচার ভ্যান পরিক্রমা করছে। খোয়াই জেলায় ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ করে খোয়াই পৌর পরিষদ এবং তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদ এলাকায় ফগিং করা হচ্ছে। আশাকর্মীরা বাড়ি-ঘরে যাতে জব জমে না থাকে এজন্য সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাতে সবার প্রতি আহ্বান জানান। সম্প্রতি ডেঙ্গু সনাক্তকরণে ৩৫৬ জনকে সন্দেহ জনক রক্ত পরীক্ষা করা হয়, এর মধ্যে এলিস্টা টেস্ট এর মাধ্যমে সাত জনের পজিটিভ রোগী পাওয়া যায়।

তাদের সবাইকে জরুরী ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ম্যালেরিয়া এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে প্রশাসন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্ম, সাধারণ মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সোসাইটি একাধিক প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম সকল এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগ শনাক্তকরণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জরুরি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপে সক্রিয় রয়েছে জেলার স্বাস্থ্যকর্মীরা।

জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পঞ্চায়েত এলাকায় আশা, এমপিডব্লিউ ও সিএইচও কর্মীদের নেতৃত্বে বাতি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয় পর্যায়ে বিশেষ ইন্টার্যাকটিভ সেশন। আয়োজন করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

স্বাস্থ্য দফতরের উদ্যোগে প্রতি শুক্রবার জেলার সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পালিত হচ্ছে ‘সাপ্তাহিক ড্রাই ডে”, যেখানে বাসাবাড়ির জলাধার ও আশপাশের জায়গা শুকনো ও পরিক্ষার রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে শহর ও গ্রামীণ এলাকায় নিয়মিত প্রয়োগ করা হচ্ছে টেমাফোস জাতীয় লার্ভিসাইড। আশাকর্মীরা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করছেন এবং সেই তমোর ভিত্তিতে এমপিডব্লিউ, সিএইচও ও এমটিএস কর্মীরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

সিপাহীজলা জেলায় ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। জেলায় ১ জানুয়ারি থেকে ৬ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মহকুমা ভিত্তিক ডেঙ্গু স্ক্রিনিং এ মোট ৭৫৮২ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে, তাতে ২০ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ সনাক্ত হয়েছে। এদিকে যে সকল এলাকায় বেশি ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে এই সমস্ত এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কর্মসূচীগুলোর মধ্যে প্রতি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সচেতনতামূলক কর্মসূচী করা হচ্ছে।

জেলা ভিত্তিক সমন্বয় সভা, মহকুমা ভিত্তিক সভা ও ব্লক ভিত্তিক সভার আয়োজন করা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে মশার উৎস নিধনে সচেতন করা হচ্ছে। মোট ৭৫ টিরও বেশি বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতার বার্তা পৌছানো হয়েছে। সিপাহীজলা জেলা জুড়ে একটি আইইসি ভ্যান-এর মাধ্যমে সচেতনতা কর্মসূচি চালানো হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষিত থাকার জন্য কীটনাশক যুক্ত মশারি প্রদান করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিতভাবে মশা নাশক ধোঁয়া ও লার্ভা নাশক কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

Leave a Comment