প্রগতি ত্রিপুরা, 4 নভেম্বর, ২০২৫:। প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের বাড়ির পাশের বৈধ কাগজপত্র থাকা জায়গা বলপূর্বক ভাবে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ মধুপুর পঞ্চায়েত প্রধান জিতেন্দ্র দেববর্মা, উপপ্রধান কালীপদ রায় এবং তহশিলদার অর্জুন দাসের বিরুদ্ধে।
শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে মধুপুর স্কুল চৌমুহনি এলাকার প্রাক্তন পুলিশ অফিসার নিত্যরঞ্জন দেব মধুপুর থানার দারস্ত হয় এবং অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবী রাখলেন। ঘটনার বিবরনে জানা যায় দক্ষিণ মধুপুর পঞ্চায়েতের মধুপুর স্কুল চৌমুহনী এলাকার প্রাক্তন পুলিশ অফিসার নিত্যরঞ্জন দেবের বাড়ি পাশে তার দেড় গন্ডা জায়গা রয়েছে।
শত বছর পুরনো সেই নিত্যরঞ্জন দেবের সেখানে বাড়িটি। কিন্তু আচমকা বাড়ির পাশে দেড় গন্ডা জায়গা বলপূর্বক দখল করতে চলে আসে দক্ষিণ মধুপুর পঞ্চায়েত প্রধান জিতেন্দ্র দেববর্মা,উপপ্রধান কালিপদ রায় এবং তহশীলদার অর্জুন দাস।
প্রথমে এসে তাকে না জানিয়ে তার দেড় গন্ডা জায়গার মধ্যে বেড়া দেওয়া বেড়াগুলি ভেঙে তছনছ করে দেয় এবং সেখানে দীর্ঘ পুরনো লেবু গাছ, নারিকেল গাছ এবং সুপারি গাছ রয়েছে সেগুলি কেটে ফেলে দেয় এবং বারবার প্রাক্তন পুলিশ অফিসার নিত্য রঞ্জন দেবকে হুমকি দিতে থাকে।
প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের অভিযোগ প্রধান, উপপ্রধান এবং তহশিলদার মিলে সেই জায়গাটার দখল করে নিয়ে মোটা অংকের টাকা বিক্রি করার ধান্দা রয়েছে তাদের।
বর্তমানে সেই জায়গার মূল্য প্রতি কানিতে ২ কোটি টাকা সেই লোভ সামলাতে না পেরে তার জায়গাটি দখল করতে চলে আসে। তাদের ১৪ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে এসে তাকে হুমকি দিয়ে সেই জায়গাটির দখলের চেষ্টা করেন।
তিনি এগিয়ে আসলে তাকে মারার জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একটা সময় তিনি তাদের সঙ্গে কিছু বুঝে উঠতে না পেরে হুমকি-ধমকির ভয়ে বাড়িতে চলে যাই।
পরবর্তী সময়ে মধুপুর থানার দারস্ত হয়। তিনি বলেন এ কোন দেশে রয়েছি আমরা। শত বছর পুরনো সেই জায়গা আমার পিতৃ সম্পত্তি। কিন্তু আচমকা ক্ষমতা দেখিয়ে জায়গা দখল করতে চলে আসে।
তার হাতে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও। যার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ দাবি করলেন।
যদিও তিনি অভিযুক্ত প্রধান জিতেন্দ্র দেববর্মা, উপপ্রধান কালিপদ রায় এবং তহশীলদার অর্জুন দাসের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করে।
যা নিয়ে এক প্রকার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণ মধুপুর এলাকার মধুপুর স্কুল চৌমুহনীতে।







