অনলাইন ডেস্ক,২৪ জুলাই,২০২৫: পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাগৃহে সম্প্রতি জিলা পরিষদের কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উক্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মলয় লোধ।
সভায় জলসম্পদ দপ্তরের আধিকারিক জানান, জলসেচের সুযোগ সম্প্রসারণের জন্য পশ্চিম ত্রিপুরার অন্তর্গত মোহনপুর ব্লকে ৩২টি, বামুটিয়া ব্লকে ২৬টি, মোহনপুর পুরপরিষদে ৭টি, জিরানীয়া ব্লকে ২২টি, পুরাতন আগরতলা ব্লকে ১৬টি এবং আগরতলা পুরনিগমের অন্তর্গত শহরাঞ্চলে ৬টি উত্তোলক সেচ প্রকল্প ও গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ প্রকল্প রূপায়ণের কাজ চলছে।
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক জানান, চলতি অর্থবছরে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পে এখন পর্যন্ত মোট ২৮ জনের ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে এবং এতে মোট ২০ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।
পশ্চিম জেলার প্রতিটি কৃষি মহকুমায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মজুত আছে। চলতি অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী উর্জা সুরক্ষা এবং উত্থান মহাভিযান প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পশ্চিম জেলার অন্তর্গত বামুটিয়া, জিরানীয়া, পুরাতন আগরতলা, লেফুঙ্গা ও বেলবাড়ি কৃষি মহকুমায় মোট ২৪৯টি আবেদনপত্র ট্রেডার কাছে জমা পড়েছে।
মৃত্তিকা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঞ্চন যোজনায় মান্দাই ব্লকে ৩০ হেক্টর এবং হেজামারা ব্লকে ১০.১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন চারা গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
এরমধ্যে মান্দাই ব্লকে ১১.৯ হেক্টর এবং হেজামারা ব্লকে ৩৫.৫ হেক্টর জমিতে চারা গাছ লাগানো হয়েছে। সভায় মৎস্য দপ্তরের প্রতিনিধি জানান, পশ্চিম জেলার বিভিন্ন ব্লকে শিং, মাগুর ও পাবদা মাছের পোনা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক জানান, পশ্চিম জেলার অন্তর্গত বিভিন্ন ব্লকে অতি শীঘ্রই কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে বোরো ধান ক্রয় করা হবে।








