অনলাইন ডেস্ক, ২৪ জুলাই, ২০২৫ : ত্রিবার্ষিক সাধারণ সভায় ঔষধ ব্যবসার দিশা নির্ধারণের বার্তা, সামাজিক সচেতনতার ওপর জোর।
আজ কৈলাসহরের ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল অল ত্রিপুরা কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস অ্যাসোসিয়েশন–ঊনকোটি জেলা শাখার ত্রিবার্ষিক সাধারণ সভা।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় এই সভা। অনুষ্ঠানে মুখ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার কাঞ্চন সিনহা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অল ত্রিপুরা কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি সমর ভৌমিক, সম্পাদক বিশ্বজিৎ সাহা, ঊনকোটি জেলা শাখার সম্পাদক তাপস পাল, ড্রাগ ইন্সপেক্টর রবার্ট দেববর্মা, সুপ্রিয় দাস, হারাধন দাস এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার কাঞ্চন সিনহা উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, “গুণগত মানসম্পন্ন ওষুধ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে হবে — এটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।
ওষুধের দোকান না থাকলে চিকিৎসা ব্যবস্থা কার্যকর হয় না। তাই কেমিস্ট ও ড্রাগিস্টরা আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
তিনি জানান, ত্রিপুরা রাজ্যে চালু হওয়া ড্রাগ কন্ট্রোলের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম জাতীয়স্তরে প্রশংসিত হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে এই ছোট রাজ্যটিও স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে উদাহরণ স্থাপন করতে পারে। শুধু স্বাস্থ্যই নয়, সমাজের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিকেও আলোকপাত করেন ডেপুটি কন্ট্রোলার।
বাল্যবিবাহ সম্পর্কে তিনি বলেন, “সুস্থ সমাজ গঠনে স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।
বাল্যবিবাহ বন্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার।” সভা শুরু হওয়ার আগে শ্রীমতি সিনহা শহরের একাধিক ফার্মেসি ঘুরে দেখেন।
তিনি প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক না বিক্রি করার বিষয়ে কড়া বার্তা দেন এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ নয়’ স্টিকার দোকানে বসানোর নির্দেশ দেন।
পাশাপাশি, সংরক্ষণের পদ্ধতি, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের ব্যবস্থাপনা এবং বিক্রয় নিয়মাবলী পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন।
সভা শেষে আগামী দিনের করণীয়, ফার্মেসিগুলির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, এবং ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে কয়েকটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।








