বিহার এস.আই.আর. ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে ৪.৯৬ কোটি ভোটারকে কোনো নথি জমা দিতে হবে না

অনলাইন ডেস্ক, ৩০ জুন, ২০২৫ : এই ৪.৯৬ কোটি ভোটারের সন্তানদেরও তাঁদের বাবা-মায়ের সম্পর্কিত অন্য কোনও  নথি জমা দিতে হবে না ভারতের নির্বাচন কমিশন (ই.সি.আই.) বিহারের ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা, যাতে ৪.৯৬ কোটি ভোটারের বিবরণ রয়েছে, ই.সি.আই.-র ওয়েবসাইটে (https://voters.eci.gov.in) আপলোড করেছে।

২০২৫ সালের ২৪ জুন জারি করা নির্দেশের প্যারা ৫-এ বলা হয়েছে যে, সি.ই.ও./ডি.ই.ও. ই.আর.ও.-রা ০১.০১.২০০৩ তারিখ পর্যন্ত যোগ্যতা অনুযায়ী তৈরি ভোটার তালিকা সমস্ত বি.এল.ও.-দের হার্ড কপিতে এবং অনলাইনে তাদের ওয়েবসাইটে ফ্রি-তে উপলব্ধ করাবে, যাতে যে কেউ তা ডাউনলোড করে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় প্রামাণ্য নথি হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

বিহারের ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা সহজলভ্য হওয়ায়, বর্তমানে বিহারে চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এস.আই.আর.) প্রক্রিয়া অনেক সহজ হবে, কারণ মোট ভোটারের প্রায় ৬০ শতাংশকেই আর কোনও নথি জমা দিতে হবে না।

তাঁদের শুধু ২০০৩ সালের তালিকা থেকে নিজেদের নাম যাচাই করে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। ভোটার এবং বি.এল.ও.-রা উভয়েই এই তথ্য সহজেই দেখতে পারবেন। আরও বলা হয়েছে, যাঁদের নাম ২০০৩ সালের বিহার ভোটার তালিকায় নেই, তাঁরাও মা বা বাবার প্রমাণ হিসেবে ২০০৩ সালের ভোটার তালিকার তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন, অন্য কোনও নথির প্রয়োজন নেই।

এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০০৩ সালের তালিকার সংশ্লিষ্ট তথ্যই যথেষ্ট। এরকম ভোটারদের শুধু নিজেদের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে, সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ এনুমারেশন ফর্ম। পুনরায় বলা হচ্ছে, প্রতিটি নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন করা নির্বাচন আইন ১৯৫০-এর ২১(২) (এ) ধারা এবং ভোটার নিবন্ধন বিধিমালা ১৯৬০-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।

নির্বাচন কমিশন গত ৭৫ বছর ধরে বাৎসরিকভাবে ভোটার তালিকার নিবিড় ও সংক্ষিপ্ত সংশোধন করে আসছে।
এই প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কারণ ভোটার তালিকা পরিবর্তনশীল, যা মৃত্যুর ঘটনা, স্থানান্তর (পেশা/শিক্ষা/বিবাহজনিত কারণে) এবং নতুন ভোটারের অন্তর্ভুক্তির ফলে নিয়মিত পরিবর্তিত হয়।

সংবিধানের ৩২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার হওয়ার যোগ্যতা নির্ধারিত হয়েছে। কেবলমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ভারতীয় নাগরিকরা, যারা সাধারণভাবে কোনও নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করেন, তারাই ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। ভারতের নির্বাচন কমিশন থেকে এক প্রেস নোটে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।

Leave a Comment