অনলাইন ডেস্ক, ১৩ জুন, ২০২৫: ধরতি আবা: ১৫ থেকে ৩০ জুন খোয়াই জেলার বিভিন্ন ব্লকে শিবির করে পরিষেবা দেওয়া হবে আগামী ১৫ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত খোয়াই জেলার বিভিন্ন ব্লক এলাকায় ধরতি আবা প্রকল্প সম্পর্কে বিভিন্ন অংশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা হবে এবং শিবিরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান করা হবে।
আজ খোয়াই জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে খোয়াই জেলার জেলাশাসক রজত পন্থ এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ১৫ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে জেলার অন্তর্গত পদ্মবিল, তুলাশিখর, তেলিয়ামুড়া ও মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের বিভিন্ন ভিলেজে শিবির করা হবে।
শিবিরগুলিতে সুবিধাভোগীদের আধার কার্ড, এসটি সার্টিফিকেট, রেশন কার্ড, পানীয়জল, বিদ্যুৎ ইত্যাদি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে।
ধরতি আবা: ১৫ থেকে ৩০ জুন খোয়াই জেলার বিভিন্ন ব্লকে শিবির করে পরিষেবা দেওয়া হবে আগামী ১৫ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত খোয়াই জেলার বিভিন্ন ব্লক এলাকায় ধরতি আবা প্রকল্প সম্পর্কে বিভিন্ন অংশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা হবে এবং শিবিরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান করা হবে।
আজ খোয়াই জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে খোয়াই জেলার জেলাশাসক রজত পন্থ এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ১৫ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে জেলার অন্তর্গত পদ্মবিল, তুলাশিখর, তেলিয়ামুড়া ও মুঙ্গিয়াকামী ব্লকের বিভিন্ন ভিলেজে শিবির করা হবে। শিবিরগুলিতে সুবিধাভোগীদের আধার কার্ড, এসটি সার্টিফিকেট, রেশন কার্ড, পানীয়জল, বিদ্যুৎ ইত্যাদি বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে।
ধরতি আবা জনভাগিদারি অভিযান: ১৫ জুন দক্ষিণ জেলাভিত্তিক জনসচেতনতা প্রশাসনিক শিবির ধরতি আবা জনজাতি উৎকর্ষ অভিযানের অঙ্গ হিসেবে আগামী ১৫ জুন ঋষ্যমুখ ব্লকের রতনপুর ভিলেজ কমিউনিটি হলে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক এক জনসচেতনতা ও প্রশাসনিক শিবির অনুষ্ঠিত হবে।
এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া। আজ দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান জেলাশাসক মোহম্মদ সাজ্জাদ পি।
তিনি বলেন, সারা রাজ্যের সাথে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় বিভিন্ন জনজাতি অধ্যুষিত ভিলেজে আগামী ১৫ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ধরতি আবা জনভাগিদারি অভিযানে প্রচারাভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি এই প্রকল্পের সুবিধা প্রতিটি ভিলেজের জনজাতি অংশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রশাসনিক শিবিরও অনুষ্ঠিত হবে। শিবিরে জনজাতি অংশের নাগরিকদের বিভিন্ন ধরণের সার্টিফিকেট প্রদান সহ সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে অবহিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় মোট ৫৯টি জনজাতি অধ্যুষিত এলাকা রয়েছে।
এই সকল এলাকার নাগরিকদের সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে জেলার অন্তর্গত প্রতিটি দপ্তরকে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পথ নাটক, চিত্র নাট্য, ফুটবল ম্যাচ ইত্যাদির মাধ্যমেও জেলা জুড়ে প্রচারাভিযান চালানো হবে। আজকের সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই সমস্ত শিবিরের সুবিধা গ্রহণ করার জন্য জেলার সকল জনজাতি অংশের মানুষের কাছে আবেদন রাখেন।
ধরতি আবা জনভাগিদারি অভিযান: উত্তর জেলায় ৫৮টি ভিলেজ কমিটিতে শিবির হবে ধরতি আবা জনভাগিদারি অভিযান উত্তর ত্রিপুরা জেলায় শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ জুন থেকে। ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই অভিযান। আজ উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা চাঁদনী চন্দ্রন এক সাংবাদিক বৈঠকে এই সংবাদ জানিয়েছেন।
জেলাশাসক বলেন, জনজাতি অংশের মানুষের আর্থ সামাজিক মানোন্নয়নে গৃহিত এই অভিযানে উত্তর ত্রিপুরা জেলার ৩৭টি রেভেনিউ মৌজার অধীনে ৫৮টি ভিলেজ কমিটিতে শিবির করা হবে। ভিলেজগুলিতে ন্যূন্যতম ৫০০ জন নাগরিক এবং তার ৫০ শতাংশের বেশি জনজাতি অংশের হলে সেখানেই এই অভিযানে শিবির করা হবে। শিবিরগুলির মাধ্যমে প্রশাসনের বিভিন্ন সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়া হবে।
২৫টি বিভিন্ন বিষয়ে মানুষকে পরিষেবা দেওয়া হবে। জেলার একটি জনজাতি পরিবারও যাতে এই অভিযানের সুবিধা গ্রহণ করা থেকে বাদ না যায়। সেই লক্ষ্য রেখেই প্রশাসন শিবিরগুলির আয়োজন করবে। বিভিন্ন সার্টিফিকেট প্রদান, সামাজিক ভাতা সংক্রান্ত বিষয়, গ্রামীণ জীবিকা মিশনের বিভিন্ন সুবিধা, ব্যাঙ্ক ঋণ ইত্যাদি বিভিন্ন পরিষেবা মানুষকে দেওয়া হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক জানান, প্রায় ১ লক্ষ জনজাতি এই অভিযান থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
ধরতি আবা জনভাগিদারী অভিযান গোমতী জেলায় ২৪টি শিবির করা হবে গোমতী জেলায় ধরতি আবা জনভাগিদারী অভিযান শুরু হবে আগামী ১৫ জুন। চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। আজ গোমতী জেলাশাসক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান জেলাশাসক তড়িৎকান্তি চাকমা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ১৫ জুন রাজর্ষির ২নং হলে গোমতী জেলাভিত্তিক এই কর্মসূচির সূচনা হবে।
জেলার ৭টি ব্লকের ৭২টি এডিসি ভিলেজের সুবিধাভোগীদের কাছে বিভিন্ন সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য মোট ২৪টি শিবির করা হবে। এই শিবিরগুলিতে আধারকার্ড, রেশন কার্ড, কাস্ট সার্টিফিকেট, পিআরটিসি, আয়ুষ্মান কার্ড, কেসিসি, জনধন অ্যাকাউন্ট, সামাজিক ভাতার সুবিধা, পিএম বিশ্বকর্মা, মুদ্রা লোন প্রভৃতি বিভিন্ন কর্মসূচির সুবিধা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ২০২৮-২৯ অর্থবছর পর্যন্ত ধরতী আবা জনভাগিধারী অভিযান জনজাতি এলাকার সার্বিক বিকাশে চালু থাকবে। আজকের এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য, সহকারি জেলাশাসক রিমিতা সাহা, তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক সুমন দাস।








