অনলাইন ডেস্ক, ৫ জুন, ২০২৫: ভাতা বঞ্চিত ৭৫ উর্ধ সুরজ মিয়া এবং তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন। ঘটনা জম্পুইজলা আর ডি ব্লকের অন্তর্গত চিকন ছাড়া ভিলেজের তিন নং ওয়ার্ড মোল্লাপাড়া এলাকায়। অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার। কোন ছেলে সন্তান নেই। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে হাজিরা কাজ করে সংসার নির্বাহ করে। সিপিএম আমল থেকে ভাতার জন্য কাগজপত্র জমা দেওয়া শুরু করেছে তারা।
বিজেপি আমলেও বেশ কয়েকবার জমা দিয়েছে। কিন্তু প্রতিবার তাদের কাগজপত্র ফিরে আসে। তাদের রেশন কার্ড অন্তর্দয়। এরপরেও এই বৃদ্ধ দম্পতির কপালে ভাতা জোটেনি। যার ফলে বৃহস্পতিবার সকালে হাতজোড় করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ভাতার আবেদন জানান অসহায় দরিদ্র মোল্লাপাড়া এলাকার সুরজ মিয়া। তিনি জানান তাঁর স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ও ভাতা পাওয়ার যোগ্য।
কিন্তু কারোর কপালে ভাতা জুটেনি যদিও বৃহস্পতিবার সকালে সুফিয়া খাতুন বাড়িতে ছিলেন না। তিনি বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে গিয়েছেন চিকিৎসার জন্য। স্বামী স্ত্রী দুজনেই অসহায়। যদি বৃদ্ধ বয়সে ভাতা মেলে তাহলে চিকিৎসা থেকে শুরু করে অনেকটাই সুবিধে হতো তাদের । ওষুধের জন্য অনেক সময় টাকা থাকে না তাদের হাতে।
এই এলাকার বহু মানুষ ভাতা পেয়েছে বঞ্চিত রইল শুধু সুরজ মিয়া এবং তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন। একেবারে দরিদ্র অভাবী পরিবার। গ্রামের মানুষ কেউ ফিরে তাকায় না তাদের দিকে। সরকারি নিয়ম-নীতি অনুযায়ী সবচেয়ে গরিব যারা এবং যাদের অন্তর্দয় রেশন কার্ড রয়েছে তারাই ভাতা পাওয়ার যোগ্য।
এক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম-নীতিতে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে জম্পুই জলা র চিকন ছড়া ভিলেজের মোল্লাপাড়া এলাকার বৃদ্ধ এই দম্পতি। এরপরেও তাদের ভাগ্যে ভাতা জোটেনি। জীবনের একবারে শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন এই বৃদ্ধ দম্পতি। এরপরেও তাদের ভাগ্যে ভাতা জোটেনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন এই বৃদ্ধ দম্পতি ভাতার জন্য।








