মোহনপুরে জনকল্যাণ শিবির, রাজ্যবাসীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতে এবং আত্মনির্ভর করে তুলতে প্রতিনিয়ত কাজ চলছে: কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৬ জুন, ২০২৬: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প রূপায়ণের মাধ্যমে দেশ আরও উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই আমাদের দেশ অর্থনীতিতে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্য সরকারও জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। মোহনপুর পুর পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত তিনদিনব্যাপী পুরসভাভিত্তিক জনকল্যাণ শিবিরে আজ কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, রাজ্যবাসীর কল্যাণে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করা হচ্ছে। রাজ্যবাসীর আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতিতে এবং আত্মনির্ভর করে তুলতে প্রতিনিয়ত কাজ চলছে। বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৫৬ হাজার স্বসহায়ক দল রয়েছে। ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ৮ হাজার লাখপতি দিদি হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মহিলা, যুবক, কৃষক ও গরীব এই চারটি অংশের মানুষের উন্নতিতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ২০৪৭ সালের মধ্যে তিনি বিকশিত ভারত গড়ার কাজ শুরু করেছেন। এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন অনিতা দেবনাথ, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য জয়লাল দাস, আই.সি.এ.আর.-এর সদস্য প্রদীপ বরণ রায়, মোহনপুর পুর পরিষদের সদস্য শ্যামল দেবনাথ ও কার্তিক আচার্য, মোহনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক শান্তনু বিকাশ দাস প্রমুখ। শিবিরে কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে ২ জনকে ভর্তুকি মূল্যে পাওয়ার উইডার দেওয়া হয়। মোহনপুর পুর পরিষদের উদ্যোগে ২ জনকে সোলার লাইট দেওয়া হয়।

টি.ইউ.এল.এম.-এর উদ্যোগে ৫টি স্বসহায়ক দলকে ২৩ লক্ষ টাকার ঋণের মঞ্জুরিপত্র, গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি কিট বিতরণ করা হয়। এরপর কৃষিমন্ত্রী মোহনপুরের কলাগাছিয়াস্থিত সম্প্রীতি সদন কমিউনিটি হলে মোহনপুর ব্লকভিত্তিক জনকল্যাণ শিবিরে অংশগ্রহণ করেন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রাকেশ দেব, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য জয়লাল দাস, মোহনপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সঞ্জীব কুমার দাস, মোহনপুর পুরপরিষদের কাউন্সিলার কার্তিক আচার্য, মোহনপুর ব্লকের বিডিও গোপাল কৃষ্ণ দত্ত প্রমুখ। শিবিরে মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ২ জন মৎস্যচাষিকে আইস বক্স, ১ জনকে কনি জাল, ১ জনকে ২ লক্ষ টাকা কে.সি.সি. ঋণের চেক এবং মৎস্যসহায়ক যোজনায় ১ জনকে ৬ হাজার টাকার চেক দেওয়া হয়।

Leave a Comment