অনলাইন ডেস্ক, ১১ এপ্রিল ২০২৫। নয়াদিল্লির আইআইআইডিইএম-এ পশ্চিমবঙ্গের ২ জন ডিইও, ১২ জন এআরও এবং ২১৭জন বিএলও-কে নিয়ে একটি দুই দিবসীয় জাতীয় স্তরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ৪ মার্চ থেকে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়। মূলত: তৃণমূল স্তরের নির্বাচনে কর্মচারিদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। ঐদিন ভারতের নির্বাচন কমিশন মিডিয়া নোডাল অফিসার, সোশ্যাল মিডিয়া নোডাল অফিসার এবং ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক রিলেশনস অফিসারদের জন্যও একটি এক দিবসীয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করে নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি এন্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্টে।
বিবর্তনশীল মিডিয়া জগতে নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত আধিকারিকরা যাতে মিডিয়ার সাথে আরও ভালভাবে সমন্বয় বজায় রাখতে পারেন সেজন্য প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই ওরিয়েন্টেশান প্রোগ্রামটির আয়োজন করা হয়। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে মিডিয়া অফিসারগণ এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন। আর পি অ্যাক্ট ১৯৫০ এবং ১৯৫১, রেজিস্ট্রেশন অব ইলেক্টর রুলস ১৯৬০, কন্ডাক্ট অব ইলেকশন রুলস ১৯৬১ এবং সময় সময় ভারতের নির্বাচন কমিশন দ্বারা জারি করা নির্দেশিকা অনুসারে মিডিয়া অফিসারগণ যাতে সঠিক ও উপযুক্ত পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহ করতে পারেন এবং ভুল তথ্য প্রচার রোধ করতে পারেন ও বিভিন্ন মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নির্বাচকদের সচেতন করতে পারেন সেই উদ্দেশ্যে এই ওরিয়েন্টেশান প্রোগ্রামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মিডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে এই ডিজিট্যাল যুগে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটারদের বিশ্বাস ধরে রাখার জন্য সঠিক স্বচ্ছ ও সময়মত তথ্য পরিবেশনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে মিডিয়া অফিসারদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে, নির্বাচকরা যাতে সঠিক তথ্য পায় এবং সঠিক ও ভুল তথ্যের মধ্যে যাচাই করার মত অবস্থায় থাকে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের উপ অধিকর্তা পি পবন এক প্রেস নোটে এই সংবাদটি জানিয়েছেন।








