অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: উন্নয়ন প্রকল্পগুলির সর্বোচ্চ সুবিধা যেন রাজ্যের মানুষ গ্রহণ করতে পারে এবং স্বনির্ভর হতে পারে তার জন্য আধিকারিক ও কর্মচারিদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করে তার সুফল জনগণের কাছে পৌছে দিতে হবে। আজ বিলোনীয়া সার্কিট হাউজের মিলনায়তনে দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক মৎস্যচাষ ও তপশিলিজাতি কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পর্যালোচনা সভায় তপশিলিজাতি কল্যাণ মন্ত্রী সুধাংশু দাস একথা বলেন।
পর্যালোচনা সভায় তপশিলিজাতি অংশের ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা, বৃত্তি প্রদান, ছাত্রাবাসে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মৎস্যচাষের এলাকা বৃদ্ধি, মাছের পোনা বিতরণ, মৎস্যচাষের জলাশয় খনন, প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা প্রভৃতি প্রকল্প বিষয়েও আলোচনা করা হয়। তাছাড়া প্রাণীপালনের বিষয়ে, টিকাকরণ ও প্রাণী স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পর্যালোচনা সভায় তপশিলিজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ জনকল্যাণে সঠিকভাবে ব্যয় করতে হবে। রাজ্যকে মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে গৃহীত প্রকল্পগুলি সঠিকভাবে রূপায়ণে আরও আন্তরিক হতে হবে। বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শেষ করতে তিনি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন।
পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক স্বপ্না মজুমদার, দক্ষিণ ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি দীপক দত্ত, বিলোনীয়া পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন নিখিলচন্দ্র গোপ, শান্তিরবাজার পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন স্বপ্না বৈদ্য, দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার ৮টি ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি ও বিএসি’র চেয়ারম্যানগণ। সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য, প্রাণীসম্পদ বিকাশ এবং তপশিলিজাতি কল্যাণ দপ্তরের সচিব দীপা ডি নায়ার, তপশিলিজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা রাজীব ভট্টাচার্য, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের অধিকর্তা ড. নিরজ কুমার চঞ্চল এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ।








