উদয়পুরে রাজর্ষি উৎসবের উদ্বোধন, উদয়পুর শহরকে সাংস্কৃতিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক,১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: রাজর্ষি উৎসব শুধু আনন্দের নয়, আমাদের প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারক এবং বাহক। তাই এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত রাখতে হবে। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে ভুবনেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণকে আরও সুসজ্জিত করে তোলার।

উদয়পুর শহরকে একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় উদয়পুরের রাজনগরে ২১তম রাজর্ষি উৎসবের উদ্বোধন করে একথা বলেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, ভুবনেশ্বরী মন্দির একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থান। প্রতিবছর এই পবিত্র মন্দির প্রাঙ্গণেই আয়োজন করা হয় রাজর্ষি উৎসবের।

তিনি বলেন, রাজর্ষি উৎসব আমাদের রাজ্যের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী উৎসব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ত্রিপুরার রাজাদের নিবিড় সম্পর্ক ছিল। তিনি আরও বলেন, উদয়পুর হলো আধ্যাত্মিক শহর। উদয়পুরের ঐতিহাসিক দীঘিগুলিকেও সৌন্দর্যায়নের মাধ্যমে নতুন রূপ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, একসময় উদয়পুর ছিল রাজ্যের রাজধানী।

সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই আজ উদয়পুরকে সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। ভুবনেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণকে কেন্দ্র করে শিল্প ও সংস্কৃতির চর্চার জন্য আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার জনজাতিদের সংস্কৃতিকে রক্ষায় কাজ করছে।

তিনি রাজর্ষি উৎসবের সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ-অধিকর্তা অজয় দে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উদয়পুর পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, মহকুমা শাসক ত্রিদিপ সরকার সহ বিশিষ্টজনেরা। উৎসব উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তর থেকে উন্নয়নমূলক স্টল খোলা হয়েছে। আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। এই উৎসব চলবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

Leave a Comment