ঐতিহ্যবাহী বনকুল মহামুনি উৎসব ও মেলার সমাপ্তি, প্রতিটি জনগোষ্ঠীকে নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে ধরে রাখার প্রয়াস নিতে হবে : সমবায়মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৮ মার্চ, ২০২৫: রাজ্যের জাতি-জনজাতি গোষ্ঠির, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ধর্মীয় উৎসব ও পার্বণকে রাজ্য সরকার যথাযথ মর্যাদা দেয়। প্রতিটি জনগোষ্ঠিকে নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরম্পরাকে ধরে রাখার প্রয়াস নিতে হবে।

গতকাল সাব্রুম মহকুমার মনু বনকুলে ৭৮ তম বনকুল মহামনি বুদ্ধ মেলার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে সমবায় মন্ত্রী শুক্লা চরণ নোয়াতিয়া একথা বলেন। তিনি বলেন, সাব্রুম মহকুমার বনকুলে ইন্টারন্যাশনাল বুদ্ধিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণে রাজ্য সরকার আন্তরিক প্রয়াস নিয়েছে।

রাজ্যে শান্তির বাতাবরণ তৈরীর ক্ষেত্রে এই ধরণের মেলা ও উৎসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বিধায়ক মাইলাফু মগ, বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার, বৌদ্ধগুরু খেমাছড়া ভানতে, বৌদ্ধ ভিক্ষু ইউ কাওদানিয়া, এমডিসি দেবজিত ত্রিপুরা, মহামুনি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সম্পাদক থইকই মগ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, এমডিসি কংজং মগ, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ অধিকর্তা প্রমোদ আচার্য প্রমুখ। মেলা উপলক্ষে আয়োজিত ফল ও সবজি প্রদর্শনীর সেরা কৃষকদের অনুষ্ঠান মঞ্চে পুরস্কৃত করা হয়।

মেলায় বিভিন্ন দপ্তরের উন্নয়ন সম্বলিত তথ্য নিয়ে ১০টি প্রদর্শনী স্টল খোলা হয়। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর থেকে মেলায় প্রতিদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আসামের বিখ্যাত শিল্পী দিপান্বীতা ডেকা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

Leave a Comment