প্রগতি ত্রিপুরা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে কমিউনিটি হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শুক্রবার।
শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিকে সামনে রেখে আগরতলার জগহরিমুড়াস্থিত শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে নতুন কমিউনিটি হল ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে এই কমিউনিটি হল ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
জানা গেছে, রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্যের সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীমাতা বাড়িতে একটি কমিউনিটি হল নির্মাণের জন্য অর্থরাশি প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে মন্দির প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। শুভ জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে এই নির্মাণকাজের সূচনা হওয়ায় ভক্তদের মধ্যেও বিশেষ উৎসাহ ও আনন্দ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় বাসিন্দা, ভক্ত-অনুরাগী এবং মন্দির কমিটির সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের সংবাদমাধ্যমে প্রচারের জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। তাঁদের আশা, নতুন কমিউনিটি হলটি ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সাংসদের তহবিল থেকে প্রাথমিক পর্যায় ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ভূমি পূজনের মধ্য দিয়ে প্রস্তাবিত এই কমিউনিটি হলের কাজের আনুষ্ঠানিক শিলান্যাস সম্পন্ন হয়। স্থানীয় জনগণের সুবিধা এবং এলাকার দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যেই এই অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে বলে জানান সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য।
এদিন একই কর্মসূচির পাশাপাশি রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মন্দিরের শিক্ষামূলক পরিকাঠামোর উন্নয়নে ২টি নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণের লক্ষ্যে প্রদত্ত তহবিলেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সংসদ রাজি ভট্টাচার্য জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর গতিশীল নেতৃত্বে সারাদেশে যে নানামুখী উন্নয়নমূলক কাজ চলছে, সেই ধারাকে বজায় রাখতেই স্থানীয় পর্যায়ে এই ধরনের নাগরিক পরিষেবা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই কমিউনিটি হলটি নির্মাণ হলে এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও যৌথ উৎসব আয়োজনে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর হবে।








