প্রগতি ত্রিপুরা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ১১ দফা দাবিকে সামনে রেখে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল ত্রিপুরার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যাবস্থা। রাজ্যের আত্মসমর্পণকারী বৈরী সংগঠন NLFT(ORI), NLFT(PD), ATTF, NLFT(NB), JARC, JAC এবং ATTF(OLD)—এই সাতটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার ভোর থেকেই শুরু হয়েছে ৭২ ঘণ্টার আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ।
শুক্রবার ভোরে বড়মুড়া চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় সংগঠন গুলির কর্মী-সমর্থকরা জাতীয় সড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনকারীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এর জেরে জাতীয় সড়কে যান চলাচল কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে। বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়ে বহু যানবাহন, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।
অবরোধ’কে কেন্দ্র করে বড়মুড়া চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। গোটা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে পুলিশ ও প্রশাসন।
এদিকে, শুধু বড়মুড়া এলাকাতেই নয়, রেলপথে বিঘুদাস এবং সড়কপথে খোয়াই চৌমুহনী এলাকাতেও অবরোধ কর্মসূচি চলছে বলে জানা গেছে। ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটে যোগাযোগ ব্যাবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পুলিশ সুপার নমিত পাঠক। পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
১১ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার এই অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ফলে আগামী কয়েক ঘণ্টায় পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের।








