প্রগতি ত্রিপুরা, ১২ মে, ২০২৬: দীর্ঘ ৯ বছর পর তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বুধবার চীন যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৭ সালের পর এটিই হবে তাঁর প্রথম চীন সফর। আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত বেইজিং সফরে থাকবেন তিনি। আলোচনার তালিকায় ইরানের পাশাপাশি রাশিয়া ও ইউক্রেন সংকটও বিশেষ গুরুত্ব পাবে।
তবে চীনের উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আসন্ন চীন সফরে তিনি চীন প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করবেন, তবে এই ব্যাপারে শি-এর সাহায্যের প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না।
তিনি বলেন আমাদের অনেক কিছু আলোচনা করার আছে “আমার মনে হয় না ইরানের ব্যাপারে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন আছে। আমরা যেকোনো উপায়েই জিতব, শান্তিপূর্ণভাবে হোক বা অন্য কোনো উপায়ে। বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির নেতারা প্রথমবারের মতো মুখোমুখি আলোচনায় বসবেন। বাণিজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ এবং অন্যান্য মতবিরোধের কারণে সৃষ্ট সম্পর্কের টানাপোড়েন স্থিতিশীল করার চেষ্টাই করবেন তারা।
ইরানের সঙ্গে অমীমাংসিত যুদ্ধের মধ্যেই ট্রাম্প চীনে যাচ্ছেন, যেখানে যুদ্ধটি শেষ করার কূটনৈতিক আলোচনা অচলাবস্থায় রয়েছে। বেইজিং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং দেশটির তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান ভোক্তা। ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর যে সংঘাত শুরু হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির টানাপোড়েনের মধ্যে ট্রাম্পের এ সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।







