প্রগতি ত্রিপুরা, ২৯ মার্চ, ২০২৬: সুপারি গাছকে কেন্দ্র করে ছোট ভাই এবং তার ছেলের হাতে আক্রান্ত ৭০ বছরের বড় ভাই এবং ওনার ছেলেরা!এর মধ্যে আহত একজন জীবিতে চিকিৎসাধীন অপরজন মেলাঘর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। ঘটনা সোনামুড়া থানাধীন উরমাই সদ্দার বাড়ী এলাকা। ঘটনার বিবরনে জানা যায় সোনামুড়া থানা দিন উরমাই গ্রাম পঞ্চায়েতের সরদার বারি এলাকার ছোট ভাই হাবিল মিয়া এবং বড় ভাই হলেন ইদ্রিসমিয়া।
বহু বছর আগে পিতৃ সম্পত্তি নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়া হয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়। বড় ভাই ইদ্রিস মিয়ার ছেলেরা তাদের সীমানা সুপারি গাছ লাগান,কয়েক বছর আগে, সেই সুপারি গাছ কয়েকদিন আগে ঘাসের ওষুধ ও আগুন লাগিয়ে দেয় ছোট ভাই হাবিল মিয়া এমনটা অভিযোগ, কিন্তু আজকে ছোট ভাই হাবিল মিয়া বড় ভাই ইদ্রিস মিয়ার সীমানা জোরজবস্তি করে দখল করতে গেলে, ইদ্রিস মিয়া বাধা দিলে তার উপর আক্রমণ চালায় ছোট ভাই হাবিল মিয়া এবং তার ছেলে কামাল মিয়া, পরবর্তীকালে এ ঘটনা খবর শুনে ইদ্রিস মিয়ার দুই ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন এবং দেলোয়ার হোসেন এগিয়ে আসলে তাদের উপর এলোপাথারিভাবে কোদালের লাঠি,ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। মুহূর্তের মধ্যে জমে যায় এলাকার মানুষ।
এরপরে আহতদেরকে উদ্ধার করে মেলাঘর হাসপাতালে নেওয়া হয় বড় ভাই ইদ্রিস এবং তার ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনকে। অবস্থা শোচনীয় হওয়া তড়িঘরি ইদ্রিস মিয়াকে জিবি হাসপাতালের রেফার করা হয়, জানা গেছে ওনার অবস্থা অত্যন্ত শুচনীয়, অন্যদিকে জাহাঙ্গীর হোসেন মেলাঘর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আবার ইদ্রিস মিয়ার আরেক ছেলে দেলোয়ার হোসেন কে আক্রমণ করে,হাবিল মিয়া এবং তার ছেলে কামাল মিয়া। দুষ্কৃতিকারীরা ইদ্রিস মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন কে হুশিয়ারি দিয়ে বলে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেবে। যেখানে বহু মানুষ সাক্ষী ছিল। এদিকে আহতদের নিয়ে পরিবারের সদস্যরা এবং আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে সঠিক সময় মামলা করতে না পারায়,এই সুযোগে আক্রমণকারীরা উল্টো আহতদের বিরুদ্ধে সোনামুড়া থানা মামলা করে।
সে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ এসে তদন্ত করে, পরবর্তীকালে সন্ধ্যাবেলা আহতদের পরিবার থেকে আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের সঠিক তদন্তে আসল সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসবে মনে করছে এলাকার জনগণ। তবে আহত পরিবার থেকে আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করা হচ্ছে।








