প্রগতি ত্রিপুরা, ১৪ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরে এক জনজাতি মহিলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, পরিচিত এক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত সময়ের ভিডিও গোপনে ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানি করে আসছিল।
কিন্তু অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন।জানা গেছে, ফটিকরয় থানাধীন ডেমডুং পাড়ার বাসিন্দা এক জনজাতি মহিলা (৩৬) লিখিত অভিযোগে জানান, কুমারঘাটের রাজকান্দি পাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ দেববর্মা তাকে কৌশলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করে এবং তার অজান্তেই ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে দীর্ঘদিন ধরে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ।
ঘটনার বিষয়ে কৈলাসহর মহিলা থানায় অভিযোগ জানানো হলে, ঘটনাস্থল ফটিকরায় থানার অন্তর্গত হওয়ায় কৈলাসহর মহিলা থানা জিডি এন্ট্রি করে অভিযোগের কপি ফটিকরয় থানায় পাঠিয়ে দেয়।গত ১৪ মার্চ ফটিকরায় থানার পুলিশ ওই জনজাতি মহিলার কাছ থেকে পুরো ঘটনা শুনে অভিযুক্তকে দ্রুত আটক করে তদন্ত শুরু করার আশ্বাস দিলেও, এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও থানায় ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ।
এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রদীপ দেববর্মা ও তার সহযোগীরা গতকাল রাত থেকেই ওই মহিলার বাড়িতে গিয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে এবং তাকে প্রাণে মারার হুমকিও দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী মহিলার প্রশ্ন— অভিযোগ জানানোর পরও কেন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না পুলিশ? নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি ও তার পরিবার।এখন প্রশ্ন উঠছে— অভিযোগ থাকার পরও কেন নীরব ফটিকরয় থানা? পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।








