প্রগতি ত্রিপুরা, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : দলীয় অফিসের সামনে থেকে সিপি আই এম নেতাদের ধরে নিয়ে গেল পুলিশ !
কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার পরিস্থিতি ছিল শান্তিপূর্ণ! এদিন ছিল হাটবার, দূরদূরান্ত থেকে কোন দোকান না আসলেও স্থানীয়ভাবে মাছ _মাংস, শাকসবজি থেকে শুরু করে একাংশ বাজে মালের দোকান ও খুলেছে।
আবার কিছু কিছু দোকান বদ্ধ ছিল! বাণিজ্যিক এলাকার বুক চিরে সোনামুড়া টু বিলোনিয়া বাইপাস, অপরদিকে বাণিজ্যিক এলাকার চৌমুহনী থেকে পূর্ব দিকে চলে গেছে একটি ওয়ান ওয়ে সড়ক। এছাড়া কাঠারিয়া বাণিজ্যিক এলাকার উত্তরে রয়েছে মোটর স্ট্যান্ড।
সকাল ছয়টার পর থেকে পুলিশ তীক্ষ্ণ নজরদারি রেখে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। তবে দূরপাল্লার গাড়ি চলাচল বদ্ধ ছিল। সকাল বেলায় ছোটখাটো যানবাহন চলেছে কিছু, তবে যাত্রী সাধারনের শংখ্যা ছিল একেবারে নগণ্য। নয়টার আগ পর্যন্ত শাসক দলের কর্মীদের নজরদারিও ছিল মোটামুটি ভাবে।
বামপন্থীদের তেমন কোনো নজরদারি না থাকলেও সিপিআইএম অঞ্চল অফিস প্রাঙ্গনে জড়ো হতে থাকে আস্তে আস্তে ২০ জনের মত! ঠিক ঘড়ির কাঁটা যখন নয়টা বাজে, হঠাৎ করে দলীয় পতাকা কাঁধে নিয়ে বামেরা শুরু করে বন্ধের সমর্থনে মিছিল!
মিছিলটি দলীয় অফিস থেকে উত্তর দিকে যেতেই যাত্রাপুর থানার ওসি সিতি কন্ঠ বর্ধনের নেতৃতে বিশাল যৌথ বাহিনী সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তাদেরকে বাধা দিতে থাকে।
বাধা অমান্য করার পরিপ্রেক্ষিতে মিছিল কারীদের পাকড়াও করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় যাত্রাপুর থানায়। এই সময়ে কিছু শাসক দলের কর্মীরা দৌড়ে এসে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আমি সংবাদ কর্মী হিসেবে ছিলাম উপস্থিত।
আমার হাতের মোবাইল থেকে শাসক দলের একাংশ কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে যায়। এমন কি আমার হাত থেকে মোবাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়, যদিও তাৎক্ষণিক আবার মোবাইল ফোনটি দিয়ে দিয়েছে।
আমাকে যদিও একটু হুঁশিয়ারি সুরেই কথা বলেছে। এ সময় অন্য কোন সংবাদ কর্মী ছিল না ঘটনার সময়তে। একমাত্র পুলিশের উপস্থিতি থাকার কারণে বড় ধরনের কোন ঘটনা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি!
বিগত কয়েক বছর ধরে কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকায় বা পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর উঠে আসে নাই। কিন্তু জাতীয় স্তরে সাধারণ কর্মকর্তকে কেন্দ্র করে কাঠালিয়ায় সম্ভবত বামেদের মিছিলটা না করাটাই শ্রেয় ছিল।
মানুষ যার যেমন ইচ্ছে অনুযায়ী ধর্মঘটকে সফল করার লক্ষ্যে ভাবনা চিন্তা করে আসছিল। কিন্তু বামেদের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে পরিস্থিতির উত্তপ্ত হয়ে উঠে। তবে বলা যায়, পুলিশের তীক্ষ্ণ নজরদারির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।








