কৈলাসহরে চৌদ্দ দেবতা মেলা ও উৎসব রাজ্য সরকার ঐতিহ্যবাহী মেলা ও ধর্মীয় উৎসবগুলির সংরক্ষণ ও বিকাশে সচেষ্ট রয়েছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: রাজ্য সরকার ঐতিহ্যবাহী মেলা ও ধর্মীয় উৎসবগুলির সংরক্ষণ ও বিকাশে সচেষ্ট রয়েছে। আজ কৈলাসহরের খাওড়াবিলে চৌদ্দ দেবতা মেলা ও উৎসবের উদ্বোধন করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী টিংকু রায় একথা বলেন। কৈলাসহর মহকুমা প্রশাসন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং গৌরনগর ব্লকের যৌথ উদ্যোগে এই উৎসব ও মেলার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ঊনকোটি জেলায় দেশ বিদেশ থেকে আগত ভক্ত, পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থার লক্ষ্যে সোনামুখী এলাকায় প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক আবাস নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়াও খাওড়াবিল চৌদ্দ দেবতা মন্দিরকে কেন্দ্র করে আগামীদিনে গেস্ট হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে দূরদূরান্ত থেকে আগত সাধুসন্ত, ভক্ত ও পুণ্যার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারেন। এরফলে ধর্মীয় পর্যটকদের আগমনের পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক পর্যটন পরিকাঠামো আরও মজবুত হবে।

রাজ্য সরকার ঐতিহ্যবাহী মেলা ও ধর্মীয় উৎসবগুলির সংরক্ষণ ও বিকাশে সচেষ্ট রয়েছে। আজ কৈলাসহরের খাওড়াবিলে চৌদ্দ দেবতা মেলা ও উৎসবের উদ্বোধন করে সমাজকল্যাণমন্ত্রী টিংকু রায় একথা বলেন। কৈলাসহর মহকুমা প্রশাসন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর এবং গৌরনগর ব্লকের যৌথ উদ্যোগে এই উৎসব ও মেলার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ঊনকোটি জেলায় দেশ বিদেশ থেকে আগত ভক্ত, পুণ্যার্থী ও পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থার লক্ষ্যে সোনামুখী এলাকায় প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক আবাস নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়াও খাওড়াবিল চৌদ্দ দেবতা মন্দিরকে কেন্দ্র করে আগামীদিনে গেস্ট হাউস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে দূরদূরান্ত থেকে আগত সাধুসন্ত, ভক্ত ও পুণ্যার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্যে অবস্থান করতে পারেন। এরফলে ধর্মীয় পর্যটকদের আগমনের পাশাপাশি এলাকার সামগ্রিক পর্যটন পরিকাঠামো আরও মজবুত হবে।

Leave a Comment