প্রগতি ত্রিপুরা, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫: সোনামুড়ার নেশা মুক্তি কেন্দ্রে নেশামুক্তির নামে অমানুষিক অত্যাচার ! মালিক মান্নান চৌধুরীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের।
বিচার না পেয়ে সোনামুড়ার বিতর্কিত নেশা মুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে নেশামুক্তি কেন্দ্রে থেকে আসা এক যুবক ও তার বোন।
মানুষ মানুষের জন্য সংগঠন দিয়ে মান্নান চৌধুরী নামে এক যুবক সোনামুড়া শহরে থাকা বিভিন্ন নেশাগ্রস্ত যুবকদের তুলে নিয়ে গিয়ে নেশা মুক্তি কেন্দ্র তৈরি করেছে।
দীর্ঘ দুই মাস ধরে, প্রথমে মন্নান চোধুরী বিশালগড়ের আত্মশুদ্ধি নামের অন্য একটি নেশা মুক্তি কেন্দ্রে নিয়ে যায়।
সোনামুড়ার নেশাগ্রস্ত যুবকদের ভালো করার নামে বিভিন্ন মানুষ থেকে টাকাও তুল মান্নান।
তার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেল করে সোনামুড়ার এক হোটেলের মালিক থেকে ৩৫ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
মন্নানের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতারণা মামলা করে বিশালঘড়ে আত্মশুদ্ধি নেশামুক্ত কেন্দ্রের সদস্যরা, নানা বিতর্ক রয়েছে এই মন্নান চোধুরীকে নিয়ে, তার পরেও নেশা মুক্ত কেন্দ্র ছাড়ছে না মান্নান।
অভিযোগ রয়েছে সোনামুড়া ধলিয়াই অবৈধভাবে গড়ে উঠা এই কেন্দ্রে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লংঘন করছে মান্নান ও তার সঙ্গীরা।
বন্ধ ঘরে রেখে মারধর করা হয় নেশাগ্রস্ত যুবকদের, ভয় মুখ খুলেনা কেউই, বার বার অভিযোগ এবং মামলা হলেও এক বারের জন্যও এই নেশা মুক্তি কেন্দ্র পরিদর্শনে যায়নি সোনামুড়া থানার পুলিশ।
আসলে নেশা মুক্তি কেন্দ্রের আড়ালে কি চলেছে তাও তদন্ত করেনি পুলিশ, নগর পঞ্চায়েতের মতো একটি এলাকা অবৈধভাবে গড়ে উঠা নেশা মুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন সেটাই এখন দেখার।
নেশামুক্তি কেন্দ্রে থাকা গাইডরাই নাকি নেশাকরে, এমনি অভিযোগ করে নেশা মুক্তি কেন্দ্রে থেকে আসা মামন লস্কর নামের এক যুবক।
সচেতন মহলের দাবি মানব সেবার নামে একদল যুবক যেভাবে সমাজ সেবাকে বিতর্কিত করছে তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজন।
যদি সত্যিকার অর্থেই তারা মানুষের জন্য কাজ করছে তা হলে সেটারও মূল্যায়ন করা উচিত।








