বিশ্বের সামনে যোগা দিবসের তাৎপর্য প্রচারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক চেতনা, আদর্শ এবং ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন : মুখ্যমন্ত্রী

প্রগতি ত্রিপুরা, ২১ জুন, ২০২৬: বিশ্বের সামনে যোগা দিবসের তাৎপর্য প্রচারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতবর্ষের আধ্যাত্মিক চেতনা, আদর্শ এবং ইতিহাসকে তুলে ধরেছেন। ২০১৪ সালে জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালনের আহ্বান জানালে বিশ্বের প্রায় সবকটি দেশই এর প্রতি সমর্থন জানায়। যার ফলে ২০১৫ সাল থেকে আজকের এই দিনে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালন শুরু হয়।

আজ হাঁপানিয়ার আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হলে রাজ্যভিত্তিক ১২তম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালন অনুষ্ঠানের সূচনা করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা আরও বলেন, ২১ জুন তারিখটিতে যোগা দিবস করারও একটি আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক গুরুত্বও রয়েছে।

এই বছরের যোগা দিবসের মূল ভাবনা হলো বার্ধক্যে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য যোগা। তিনি বলেন, যোগব্যায়াম ও প্রাণায়ামের মাধ্যমে দেহে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে, পেশী নমনীয় হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, মানসিক চাপ কমে, ক্লান্তি ও অবসাদ হ্রাস পায় এবং কার্যক্ষমতা বাড়ে। নিজেকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে যোগার গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি যুব সমাজকে নিয়মিত যোগ চর্চা করার জন্য আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আলোচনায় ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, রাজ্যভিত্তিক এই অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ব্লক ও মহকুমা স্তরেও এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাজ্যের উল্লেখযোগ্য পর্যটনস্থলগুলিতে আইকনিক যোগার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও ভাষণে তিনি রাজ্যের খেলোয়াড়দের জাতীয় স্তরের বিভিন্ন সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, মুখ্য সচিব জে. কে. সিনহা, রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক অনুরাগ, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের সচিব ড. পি. কে. চক্রবর্তী, আগরতলা পুরনিগমের কর্পোরেটরগণ, পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্য সদস্যাগণ সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরের পদস্থ আধিকারিকগণ এবং ক্রীড়াবিদগণ। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সহ উপস্থিত সকলে যোগ ব্যায়াম অনুশীলন করেন।

Leave a Comment