অনলাইন, ডেস্ক, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫: ঘটনার বিবরণে জানা যায় শ্রীমন্তপুর গ্রামে বিগত কয়েকদিন যাবত কুকুরের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী যখন তখনই মানুষ পশু যাকে খুশি কামড়ে দিচ্ছে কুকুর। আর এর খেসারত দিতে হচ্ছে এলাকার সাধারণ পশুপালকদের।
অভিযোগ কুকুরের কামড়ে প্রাণ হারায় বেশ কিছু হাঁস মোরগ এমনকি ছাগল এবং তার সাবক। ঘটনা কেবলমাত্র একদিনই ঘটেছে সেমনটা নয় প্রতিনিয়ত এ ধরনের ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী সঙ্ঘবদ্ধভাবে ওই কুকুরটিকে পাগলা কুকুর সন্দেহে মেরে ফেলে। আর তারপরেই সৃষ্টি হয় জটিলতা উত্তেজনা ছড়ায় গ্রামের দুই ওয়ার্ডে ।
মেরে ফেলা কুকুরটির মালিক শ্রীমন্তপুর এলাকার দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে থানায় মামলা করে বলে জানা যায়। আর এই খবর চাওয়া হতেই শ্রীমন্তপুর এলাকায় উত্তেজনা আরো চড়ে বসে সংবাদ প্রতিনিধির নিকট অভিযোগ করে যদি কুকুরটির কোন নির্দিষ্ট মালিক থেকে থাকে তাহলে এতদিন যে কুকুরটির দ্বারা মানুষের এত নষ্ট হচ্ছে সেই বিষয়টি জেনে কেন কুকুরটিকে বাড়িতে আটকে রাখা হয়নি ।
যদি কুকুর থেকে বাড়িতে আটকে রাখা হতো তাহলে সেটি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে এসে এভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারত না , তাছাড়া কুকুরটির কামড়ে আহত হয়ে যেই গবাদি পশুগুলির মৃত্যু হয়েছে তার দায় কে দেবে । অন্যদিকে প্রতিনিয়তই ওই এলাকার ছোট ছোট শিশুরা স্কুলে যাওয়া আসা অবস্থায় যদি কুকুরটির কামরে আহত হতো তাহলে কি ঘটতো।
তাই সার্বিক বিষয় চিন্তা করে ওই পাগলা কুকুরটিকে মারার সিদ্ধান্ত নিয়ে এলাকাবাসী। আর এত কিছু ঘটে যাবার পর কুকুরের মৃত্যুতে টনক নড়ে মালিকের। তাই এলাকাবাসীরা সিদ্ধান্ত নেয় যদি এলাকাবাসীর যে ক্ষতি হয়েছে কুকুরের কামড়ে তার সঠিক ক্ষতিপূরণ না দেওয়া হলে মালিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করবে এলাকাবাসী।
তারা একে একে কুকুরের কামড়ে আহত হওয়া গবাদি পশুগুলির চিকিৎসা করালেও বর্তমানে যথেষ্ট চিন্তিত ব্যাপক পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন ঐ সকল পরিবারগুলি। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে মহামান্য আদালতের আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি কুকুরকে টিকা করন এবং বন্ধাত্বকরণের যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কে কাজ করছেন প্রশাসন, তাদের নিকট আছে তো সেরকম প্রশিক্ষিত কর্মী আর যদি থেকেই থাকে তাহলে কেন এখনো তারা কাজে নামছেন না, তবে কি এখন লেজে গোবরে অবস্থা প্রশাসনের। সেই কারণেই নিরুপায় সাধারণ মানুষ এখন আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য হয়েছেন।
বরাবরই পথ কুকুরদের আনাগোনা দেখা যায় শহর গ্রাম প্রতিটি মোড়ে মোড়ে আর সেই কুকুরের দ্বারা আহত হওয়ার সংবাদও উঠে আসে বিভিন্ন সময়ে। ওই সকল পথ কুকুরদের জন্ম নিয়ন্ত্রণ না করা হলে আগামী দিনেও এই ধরনের সমস্যা র সম্মুখীন হতে হবে সাধারণ মানুষকে। নিরুপায় মানুষ নিজে বাঁচতে আইন হাতে তুলে নিয়ে পড়ে যাবেন আইনের ঘেরাটোপে। তবে এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন , নাকি উত্তেজনা আরো চরম পর্যায়ে পৌঁছবে শ্রীমন্তপুর গ্রামের।








