অনলাইন ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫: রাজ্য সরকারের যে সমস্ত প্রকল্প রয়েছে সেগুলি সম্পর্কে অবহিত হয়ে এর সুবিধা সমূহ ভোগ করতে হবে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নিজেদের আত্মনির্ভর করার ক্ষেত্রে এই প্রকল্পগুলি কাজে লাগাতে হবে। আজ তুলাশিখর ব্লকের পশ্চিম চাম্পাছড়া ভিলেজের সীতেশ স্মৃতি কমিউনিটি হলে দুইদিনব্যাপী কর্মশালার সূচনা করে বনমন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা একথা বলেন।
বনদপ্তর, ত্রিপুরা স্টেট কাউন্সিল ফর সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এবং সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অব মেডিসিনাল এন্ড অ্যারোটমেটিক প্ল্যান্টের যৌথ উদ্যোগে ঘর মোছা জীবানুনাশক ও মশা নিরোধক লিকুইড সরঞ্জাম ব্যবহারের উপর দুই দিনের কর্মশালা শুরু হয়েছে। এই কর্মশালার সূচনা করে বনমন্ত্রী বলেন, একটি কর্মশালা শুধু প্রশিক্ষণই নয়, দূর দূরান্ত থেকে আসা মানুষদের মধ্যে ভাব বিনিময়ের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে। তিনি বলেন, আজকের দিনের ভাবনা হল নিজের পায়ে দাঁড়ানো।
টিআরএলএম’র সহায়তা নিয়ে অনেক মহিলাই আজ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছেন। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি পরিবার যাতে আগর চাষ করে লাভবান হতে পারে সেজন্য বনদপ্তর আগরের চারা তৈরীর ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, এক কানি জমিতে আগর চাষ করলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে তা থেকে ৪-৫ কোটি টাকা আয় করাও সম্ভব। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের প্রধান সচিব চৈতন্য মূর্তি বলেন, ঔষধিগুণ সম্পন্ন বিভিন্ন গাছের বাগান তৈরী করে সমাজের যেমন উপকার করা যায় তেমনি নিজেরও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনা যায়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও পরিবেশ দপ্তরের অধিকর্তা মহেন্দ্র সিং। সভাপতিত্ব করেন তুলাশিখর বিএসি’র চেয়ারম্যান প্রদীপ দেববর্মা। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তুলাশিখর বিএসি’র ভাইস চেয়ারম্যান সুতাম্বর দেববর্মা, খোয়াই জোনালের ভাইস চেয়ারম্যান খগেশ দেববর্মা, তুলাশিখরের বিডিও স্বদেশ দেববর্মা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীদের হাতে একটি করে সাইট্রোনলা গাছের চারা তুলে দেন অতিথিগণ। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জেলার ৬টি ব্লক এলাকার বিভিন্ন স্বসহায়ক দল থেকে ২১০ জন অংশ নিয়েছেন।








