প্রগতি ত্রিপুরা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫। গাড়িতে তল্লাশির সময় ফের বড়সড় সাফল্য পেল তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ।
মুঙ্গিয়াকামি থানার অন্তর্গত জাতীয় সড়কের ৪১ মাইল এলাকায় এক ছোট যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে আনুমানিক সাড়ে আট লক্ষ টাকার শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়েছে।
গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার দুপুরে পুলিশ গাড়িটিকে আটক করে। গাড়িটি ত্রিপুরা থেকে বহিরাজ্যগামী ছিল বলে জানা গেছে।
ঘটনাস্থল থেকে ত্রিপুরার বিনোদন দেব্বর্মা এবং উত্তরপ্রদেশের গাড়িচালক প্রমোদ কুমার-কে আটক করা হয়েছে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন মুঙ্গিয়াকামি থানার অফিসার-ইন-চার্জ সনেশ দেব্বর্মা, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য পুলিশ কর্মীরাও।
ঘটনা সম্পর্কে সংবাদ মাধ্যমকে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রোহন কিষান জানান “গাড়িটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিতে গাড়ির ভেতর গোপনে মজুদ রাখা বিশাল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পাচারের কাজে একজন ক্যান্সার রোগীকেও ব্যবহার করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, গোটা ঘটনার ওপর তদন্ত চলছে এবং মূল পাচারচক্রকে ধরতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযান শুরু করেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে ত্রিপুরার বিভিন্ন প্রান্তে যেমন তেলিয়ামুড়া, জিরানিয়া, কমলপুর ও ধর্মনগর এলাকায় একের পর এক নেশাজাতীয় দ্রব্য উদ্ধার হওয়ায় রাজ্যজুড়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই গাড়িটি কল্যাণপুরের দিক দিয়ে মুঙ্গিয়াকামীর অভিমুখে যাচ্ছিল। কিন্তু কল্যাণপুর থানার পুলিশ সেটি আটক করতে ব্যর্থ হয়।
ফলে প্রশ্ন উঠছে — গাঁজা পাচারের এই চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা যুক্ত? সবমিলিয়ে, রাজ্যজুড়ে পুলিশের সক্রিয়তায় নেশা বিরোধী অভিযান জোরদার হলেও ত্রিপুরা সত্যিই নেশামুক্ত হবে কিনা, তা নিয়ে জনমনে গভীর প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।







