পূর্ব নলছড়ে জনকল্যাণ শিবির শুরু বিকশিত ভারত গড়ার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রী: পঞ্চায়েতমন্ত্রী

প্রগতি ত্রিপুরা, ১৫ জুন, ২০২৬: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গরিব অংশের মানুষের কল্যাণ। সরকারি সুযোগ সুবিধা সমাজের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে মানুষের আর্থিক সামাজিক মনোন্নয়নই কেন্দ্রীয় সরকারের মুখ্য উদ্দেশ্য। বিকশিত ভারত গড়ার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশকে পরিচালনা করছেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ নলছড় দশমীরঘাট কমিউনিটি হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে নলছড় ব্লকভিত্তিক জনকল্যাণ শিবিরের উদ্বোধন করে এই কথাগুলি বলেন উচ্চশিক্ষা, পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন। পূর্ব নলছড় গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত দশমী ঘাট প্রাঙ্গণে ১৫ ১৭ জুন তিন দিনব্যাপী জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নলছড় পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান স্বপন কুমার দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রিনা দেবনাথ, সিপাহীজলা জিলা পরিষদের সদস্যা বেলা দেবনাথ, নলছড় পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান লোকজিত দেবনাথ এবং নলছড় আর ডি ব্লকের অতিরিক্ত বিডিও সিদ্ধার্থ শংকর রায়।

পঞ্চায়েতমন্ত্রী কিশোর বর্মন বলেন, নরেন্দ্র মোদির ১২ বছরের প্রধানমন্ত্রীত্বের সময়কালকে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিতে সমগ্র দেশের ব্লক স্তর থেকে মহকুমা স্তর পর্যন্ত জনকল্যাণ শিবির আয়োজন করা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা সমাজের অন্তিম ব্যক্তি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্যই এই জনকল্যাণ শিবির। তিনি বলেন, সুশাসন, উন্নয়ন, আত্মনির্ভর ভারত, নারী শক্তির জাগরণ, বিকশিত ভারত, স্বনির্ভর ভারত এখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতবর্ষের স্লোগান হয়েছে। তিনি বলেন, ১২ বছরে দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী ২৫ কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ভাবে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হয়েছে।

৮১ কোটি মানুষকে বিনামূল্য রেশন দেওয়া হয়েছে। ৪ কোটি জনগণকে আবাস যোজনায় ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। ৫৮ কোটি মানুষকে জনধন প্রকল্পে যুক্ত করা হয়েছে। ৫২ কোটি পরিবারে পাকা শৌচালয় নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। ১৬ কোটি পরিবারে পাইপলাইনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ৫৭ কোটি যুবক-যুবতীকে মুদ্রা লোন এর মাধ্যমে গ্যারান্টি মুক্ত ঋণ দিয়ে স্বনির্ভর করার জন্য সহায়তা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত তিন দিনব্যাপী জনকল্যাণ শিবিরে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের প্রচার মূলক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রদর্শনী খোলা হয়েছে। এই শিবিরে জনগণ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবার জন্য এবং প্রশাসনিক শংসাপত্রের পাওয়ার জন্য আবেদন জমা করতে পারবেন।

Leave a Comment