অনলাইন ডেস্ক, ২১ জুলাই, ২০২৫: পানিসাগর বিদ্যুৎ দপ্তরের নানা গাফিলতি ও অনিয়ম নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ।
এই পরিস্থিতিতে সোমবার পানিসাগর বিদ্যুৎ দপ্তরের সিনিয়র ম্যানেজার চন্দ্রমনি নাথের সঙ্গে এক প্রতিনিধিমূলক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন তারা।
সাক্ষাৎকারে চেয়ারপার্সন অনুরাধা দাস, ভাইস চেয়ারপার্সন ধনঞ্জয় নাথ, পানি সাগর মন্ডল সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় দাস, মন্ডল সভাপতি বিবেকানন্দ দাস, মন্ডল সদস্য বিক্রম নাথ, সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, “সৌভাগ্য যোজনা”-র আওতায় বহু বিদ্যুৎ সংযোগ প্রায় দেড় থেকে দুই বছর আগে দেওয়া হলেও আজও সেই সংযোগগুলোর আইডি তৈরি হয়নি।
ফলে বিল প্রদান সম্ভব হচ্ছে না, যা পরিষেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। মন্ডল সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় দাস পানিসাগর বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার কে সরাসরি বলেতে বাধ্য হন যে পানিসাগর বিদ্যুৎ বিভাগের গাভীলতির কারণে বর্তমান সরকারকে কালিমা লিপ্ত করার প্রয়াস চলছে।
যা সাধারণ জনগণ মেনে নিতে নারাজ। এছাড়া, তারা অভিযোগ করেন—দপ্তরটি জরুরি পরিষেবার আওতাভুক্ত হলেও ফোন মারফত যোগাযোগ করতে গেলে অধিকাংশ সময়ই গ্রাহকদের হয়রানির শিকার হতে হয়। কর্মীরা সমস্যা সম্পর্কে স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে দায়সারা মনোভাব প্রদর্শন করেন।
জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যে স্পষ্ট, বিদ্যুৎ দপ্তরের এই শিথিলতা পুরো মহকুমার জনগণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমরা বহুবার জানিয়েছি, বহু পরিবার এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ পেলেও সঠিক পরিষেবা পাচ্ছেন না। দপ্তরের উচিত অবিলম্বে এই অনিয়ম দূর করে গ্রাহকদের স্বস্তি প্রদান করা।
এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে স্পষ্ট, পানিসাগরের জনগণ আর অসহায়ভাবে বসে থাকতে চান না। তারা সুষ্ঠু, নিরবচ্ছিন্ন এবং দায়িত্বশীল বিদ্যুৎ পরিষেবা আশা করছেন।








