অনলাইন ডেস্ক, ৩ জুলাই ২০২৫। আবারো ফাঁসিতে আত্মঘাতী হলো এক গৃহবধ। ঘটনা মেলাঘর থানাধীন তেল কাজলা বরডেপা এলাকায়।
তবে গৃহবধূ বাপের বাড়ির পরিবারের লোকজনদের অভিযোগ তাদের মেয়ে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেনি। তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। কারণ যেখানে ফাঁসি দিয়েছে গৃহবধূ সেই জায়গায় ফাঁসি দেওয়ার পর, গৃহবধুর পা দুটি মাটির সংঘর্ষ ছিল।
যার ফলে তারা সন্দেহ করছে, তাদের মেয়েকে মেরে ফাসির নাটকের অভিনয় করেছে। গৃহবধূ শশুর শাশুড়ি, এবং স্বামীর ছোট ভাই স্ত্রী এমনটাই অভিযোগ।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় আজ থেকে পাঁচ বছর আগে উত্তর ,চড়িলাম আছড়ালিয়া এলাকার কামাল হোসেন মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে সামাজিক ভাবে বিবাহ দেওয়া হয় মেলাঘর থানাধীন তেল কাজলার বরডেপার সুরুজ মিয়ার ছেলে জাকির হোসেনের সঙ্গে।
বর্তমানে তাদের একটি তিন বছরের, শিশু রয়েছে। জানা গেছে গৃহবধূর স্বামী জাকির হোসেন বর্তমানে চেন্নাইতে অবস্থান করছে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যেই তেমন কোন সমস্যা না থাকলেও, তবে মেয়ের পরিবারের লোকের অভিযোগ, তাদের মেয়ের জামাই, তাদের মেয়ের কথা শোনে না, তার বাবার কথা মতন চলাফেরা করে।
এগুলি নিয়ে মাঝে মাঝে অভিমান করত গৃহবধূ, অন্যদিকে গৃহবধুর মেয়ের মা, বলেন গৃহবধুর শশুর সুরজ মিয়া, ও শাশুড়ি, এবং স্বামীর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সুমনা আক্তার তাদের মেয়ে কে শারীরিক ও মানসিক ভাবে জ্বালা যন্ত্রণা দিয়ে থাকতো।
তাছাড়া কয়েকদিন আগে শ্বশুর-শাশুড়ি গৃহবধূকে মারতেও এসেছিল, যে অভিযোগ গৃহবধুর বাপের বাড়ির লোকজনদের। এদিকে ঘটনার পর পুলিশ মৃত গৃহবধূকে মেলাঘর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বর্তমানে তাকে হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।আজ পরিবারের হাতে গৃহবধূকে তুলে দেওয়া হবে। সুতরাং অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগ, কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা, ময়না তদন্তের পর আসল ঘটনা বেরিয়ে আসবে, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।








