ট্রসে জয়ী হয়ে কালাগাঙ্গেরপার পঞ্চায়েতের দখল নিলো সিপিআইএম

অনলাইন ডেস্ক, ১৬ জুন, ২০২৫: অবশেষে দীর্ঘ টালবাহানা ও জল্পনা কল্পনার পর ট্রসে জয়ী হয়ে কালাগাঙ্গেরপার পঞ্চায়েতের দখল নিলো সিপিআইএম। উল্লেখ্য উত্তর জেলার কদমতলা ব্লকাধীন কালাগাঙ্গের পার পঞ্চায়েতটি ছিল দীর্ঘদিন ধরে নিষ্কৃয়।

অর্থাৎ গত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে যথারীতি পঞ্চায়েতের তেরোটি আসনের মধ্যে সাতটি সিপিএম ও ছয়টিতে বিজেপি জয়ী হয়। পরে পঞ্চায়েত আইনানুযায়ী সিপিএম দল পঞ্চায়েত গঠন করে পরিচালনা শুরু করে। এরপর দীর্ঘ আট মাস পঞ্চায়েত পরিচালনার পর সিপিআইএম দলের এর একজন সদস্য দল ত্যাগ করায় পঞ্চায়েত বডি ভেঙ্গে যায়।

এরপর থেকে দুমাস অভিবাবক হীন হয়ে পড়ে। অবশেষে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ সোমবার ছিল উক্ত পঞ্চায়েতের ভোট গ্ৰহন প্রক্রিয়া। দুপুর বারোটা থেকে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু করেন পঞ্চায়েত অফিসার তথা আজকের ভোট গ্ৰহন প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা প্রিসাইটিং অফিসার হেলাল উদ্দিন এবং উনার সহযোগী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আরো দুজন আরপিএম ।

যথারীতি দুদলের পক্ষে দুই জন করে প্রধান ও উপ্রধানের নাম প্রস্তাব দেওয়া হয়। ছয়টি করে ভোট পড়ে। পরে পঞ্চায়েত অফিসার দুদলের সমর্থন নিয়ে টসে করেন। তখন টসে সিপিএম জয়ী হয়,আর এতেই শুরু হয় চরম সমস্যা। বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা ট্রস হেরে শুরু করে হট্টগোল। এতে করে প্রায় দুঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় পঞ্চায়েত অফিসারকে।

পরে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কমল দেববর্মা , মহকুমার পুলিশ আধাকারীক বি জেরিনপুই ও কদমতলা থানার ওসি জয়ন্ত দেবনাথ এর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত করে সিপিএমকে আনুষ্ঠানিক জয়ী ঘোষণা দিয়ে স্বপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।

এতে সিপিএম এর পক্ষে প্রধান নির্বাচিত হন মমতা বেগম ও উপপ্রধান নির্বাচিত হন আব্দুল বাছিত। এদিকে আইন শৃঙ্খলা অটুট রাখতে এদিনের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ছিলো অত্যন্ত আঁটোসাঁটো। বিশাল পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী ছাড়াও মোতায়েন ছিলো কেন্দ্রীয় বাহিনী। তাছাড়া দুদলের কর্মী সমর্থক ও উৎসাহী জনতার উপস্থিতি ছিলো লক্ষনীয়।

Leave a Comment