বিদ্যুৎ ভর্তুকি ঘোষণা নিয়ে প্রতিক্রিয়া: সরকার আগে কীভাবে রূপায়ন করবে তা স্পষ্ট করুক : আশীষ

প্রগতি ত্রিপুরা, ২২ আগস্ট, ২০২৬: গতকাল বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিদ্যুৎ ভর্তুকি প্রদানের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা নিয়ে সরকারের নৈতিকতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। কিছুদিন আগেই এই বিদ্যুৎ মন্ত্রী দাবি করেছিলেন যে বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধি করা বা বিদ্যুৎ চার্জ বসানো নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (Regulatory Commission) সিদ্ধান্ত, এতে বিদ্যুৎ দপ্তরের কোনো দায়ভার নেই। এভাবে নিজের দায় এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি বলে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি আশীষ কুমার সাহা।

বর্তমানে সারা রাজ্য জুড়ে বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ আন্দোলনে নেমেছেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও গত চার মাস ধরে বিদ্যুৎ চার্জ প্রত্যাহারের দাবিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সরব হয়েছে এবং সরকারকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। এতদিন সরকার সাধারণ মানুষের এই দাবিকে পাত্তাই দেয়নি।

এখন যখন সারা রাজ্যে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা গিয়েছে এবং তারা সরকারের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই সরকার আতঙ্কিত হয়ে ভর্তুকির কথা ঘোষণা করেছে। ভর্তুকি হিসেবে ১০০ কোটি টাকা বহন করবে বলে জানানো হলেও মোট প্রয়োজনীয় অঙ্ক প্রায় ১৮৯ কোটি টাকা। তাহলে বাকি ৮৯ কোটি টাকার কী হবে এবং সেই দায় কে নেবে, তা কিন্তু স্পষ্ট নয়।

মানুষের পকেট কেটে বিপুল পরিমাণ টাকা আদায় করার পর হঠাৎ এই ধরনের ভর্তুকির ঘোষণা এবং তার প্রেক্ষিতে শাসকদলের “ধন্যবাদ র‍্যালি” ডাকা অত্যন্ত অদ্ভুত এক মানসিকতার পরিচয় দেয়। মূল আন্দোলনের দাবি থেকে নজর ঘোরাতেই সরকার ভীতিকর পরিস্থিতিতে পড়ে আশ্বাসবাণী দিচ্ছে।

​সরকার যতক্ষণ না পরিষ্কার করছে যে: কীভাবে এই ভর্তুকি প্রকল্প বাস্তবে রূপায়িত হবে, এর নির্দিষ্ট পদ্ধতি কী হবে, প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা হবেন এবং তারা কীভাবে এই সুবিধা পাবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত এই ব্যবস্থার সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব নয়। তাই এই মুহূর্তেই কোনো মন্তব্য করা উচিত হবে না। সরকার কোন উপায়ে এই রিলিফ দেবে তা দেখার পরই কংগ্রেস দল তাদের পরবর্তী অবস্থান ও প্রতিক্রিয়া জানাবে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী