অন্তোদয় কার্ড থাকলেও অধরা ‘আবাস যোজনা’

প্রগতি ত্রিপুরা, ২৩ জুলাই, ২০২৬: ​ : মান্দাইয়ের মাটির ভাঙা ঘরে দিন কাটছে মালতী দেববর্মা। সরকারি নথিতে তিনি ‘অন্তোদয়’ রেশন কার্ডধারী—অর্থাৎ অতিদরিদ্র পরিবারের তালিকাভুক্ত। অথচ বাস্তবতা হলো, মাথার ওপর একটা পাকা ছাদ পাওয়ার সরকারি সুবিধা আজও পৌঁছায়নি তাঁর কাছে। জরাজীর্ণ মাটির কুঁড়েঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন মান্দাইয়ের ধনই পাড়ার বাসিন্দা মালতী দেববর্মা।

একাধিকবার জিও ট্র্যাকিং, তবু মেলেনি ঘর মালতী দেববর্মার অভিযোগ, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’য় ঘরের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র তিনি বহুবার জমা দিয়েছেন। এমনকি তাঁর মাটির বাড়ি পরিদর্শনের পর একাধিকবার সরকারি ‘জিও ট্র্যাকিং’ (Geo-Tracking)-ও করা হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত কোনো পাকা ঘর বরাদ্দ হয়নি তাঁর ভাগ্যে।

জীবনের ঝুঁকিতে দিনযাপন, বর্তমানে পরিবার নিয়ে একটি ছোট ও জরাজীর্ণ মাটির কুঁড়েঘরেই বাস করছেন মালতীদেবী। বর্ষা বা দুর্যোগের দিনে কীভাবে সেই নড়বড়ে ছাদের তলায় দিন কাটান, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। তাঁর ক্ষোভ—অন্তোদয় কার্ড পাওয়া সত্ত্বেও সরকারি কোনো বড় ধরনের সুযোগ-সুবিধা তিনি পাননি।

“একাধিকবার কাগজ জমা দিলাম, ঘরের ট্র্যাকিং হলো, কিন্তু সুবিধা মিলল না। সরকারের কাছে একটাই দাবি—আমাদের যেন দ্রুত একটা পাকা ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।” সরকারের কাছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিজের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন মালতীদেবী। পঞ্চায়েত ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের কাছে তাঁর আকুল আবেদন, প্রশাসন যেন বিষয়টি দ্রুত মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করে তাঁকে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’র একটি ঘর পাওয়ার বন্দোবস্ত করে দেয়।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী