নিজের ওয়ার্ডেই দুর্নীতির কালো ছায়া! কাজ না করেই ৫ লাখ টাকা আত্মসাত

প্রগতি ত্রিপুরা, ২৩ জুলাই, ২০২৬: ​এবার স্বয়ং সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সনের নিজের ওয়ার্ডেই চরম আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো রকমের রাস্তা না বানিয়েই সরকারি খাতের প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লোপাট করার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়।

সুবিচারের দাবিতে ইতিমধ্যেই নগর পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দুয়ারে কড়া নেড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাগজে-কলমে কাজ শেষ, বাস্তবে নিখোঁজ রাস্তা! ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের একটি সরকারি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে। সরকারি নথি অনুযায়ী (DNIT NO.30/EO/SNP/SNM/2025-26): সোনামুড়া হাসপাতাল রোড থেকে স্বপন দাসের বাড়ি ও স্থানীয় মসজিদ সংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত ব্রিক সোলিং রাস্তা এবং ইটের ড্রেন নির্মাণ। বরাদ্দ অর্থ: ৪,৮৩,৯৮০ টাকা। অভিযোগ উঠেছে, স্রেফ নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে পুরো প্রকল্পটি।

বাস্তবে মাটিতে এক কোপ মাটিও পড়েনি, তৈরি হয়নি কোনো রাস্তাও। অথচ সরকারি কোষাগার থেকে বরাদ্দকৃত সম্পূর্ণ অর্থ ইতিমধ্যেই তুলে নেওয়া হয়েছে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের ডেপুটেশন ও বিক্ষোভ কাগজে-কলমে উন্নয়ন দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অধিবাসীরা।

বৃহস্পতিবার একজোট হয়ে তাঁরা সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের আধিকারিকের দফতরে উপস্থিত হন এবং একটি স্মারকলিপি (ডেপুটেশন) প্রদান করেন। বিক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের বক্তব্য: “যেখানে চেয়ারপার্সনের নিজের ওয়ার্ডের এই করুণ হাল, সেখানে পুরো পুরসভার কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়! জনগণের করের টাকা এভাবে লুটেপুটে খেতে দেওয়া যায় না।

অবিলম্বে তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে এবং বকেয়া কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। নিজের ওয়ার্ডেই এমন গুরুতর অভিযোগের মুখে পড়ে সাফাই দিয়েছেন নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন। তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী