বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত আসাম ত্রিপুরার যোগাযোগ ব্যবস্থা! লোয়ারপোয়া অংশের জাতীয় সড়কের অবস্থা খুবই বিপজ্জনক!!

প্রগতি ত্রিপুরা, ২রা মে, ২০২৬। ভয়ঙ্কর মরণফাঁদে পরিণত অসম-ত্রিপুরা আট নম্বর জাতীয় সড়ক। বড়ো বড়ো ট্রাক ফেঁসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট। নির্মাণ সংস্থার গাফিলতিতে চরম ভোগান্তি জনসাধারণের।

চলতি বর্ষা মৌসুমে অসম–ত্রিপুরা সংযোগকারী আট নম্বর জাতীয় সড়ক যেন একেবারে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে যাতায়াত ব্যবস্থা।

প্রতিদিনই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন যাত্রী চালক এবং সাধারণ পথচারীরা।
শুক্রবার দুপুর থেকে লোয়াইরপোয়া এলাকায় জাতীয় সড়কের উপর একটি ১৬ চাকার ভারী যান মারাত্মকভাবে ফেঁসে যায়।

এর জেরে মুহূর্তের মধ্যেই সড়কের দুই প্রান্তে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। অভিযোগ প্রায় দুই ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলেও সড়ক নির্মাণ সংস্থার কোনও দায়িত্বশীল আধিকারিককে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি।

এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা এবং যানচালকরা। জানা গেছে, আসামের লোয়াইরপোয়া–হাতিখিরা ২০ নম্বর বাইপাসে ভারতমালা প্রকল্পের কাজ চলার কারণে এই রাস্তা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে।

ফলে বিকল্প হিসেবে লোয়াইরপোয়া বাজার এলাকার সরু ও দুর্বল সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করছে। অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই এই সড়কটির বেহাল দশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি সড়ক নির্মাণ সংস্থা পূর্বে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা দ্রুত মেরামত করা হবে।

কিন্তু বাস্তবে এই প্রতিশ্রুতির কোনও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। উল্টে সমস্যার সমাধানে উদাসীন মনোভাব নিয়েই চলছে কাজ। এখন বড় প্রশ্ন এই মরণফাঁদে পরিণত জাতীয় সড়ক থেকে আটকে পড়া যানবাহন কীভাবে উদ্ধার হবে? এবং কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে যাতায়াত ব্যবস্থা? উত্তর খুঁজছে সাধারণ মানুষ।

Leave a Comment