রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যুক্ত হলো আরো একটি নতুন পালক: মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৫ মার্চ, ২০২৬: ২৪টি অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা সূচনার মাধ্যমে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যুক্ত হলো আরো একটি নতুন পালক। সারা ত্রিপুরাবাসীর জন্য এগুলি উৎসর্গ করা হলো। এই পরিষেবার মাধ্যমে মুমূর্ষু রোগীদের অনেক সুবিধা হবে। আজ আগরতলায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন চত্বর থেকে ২৪টি বিএলএস (বেসিক লাইফ সাপোর্ট), এএলএস (অ্যাডভান্সড লাইফ সাপোর্ট) অ্যাম্বুলেন্সের ফ্ল্যাগ অফ করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা।

সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, মুমূর্ষু রোগীদের সুবিধার জন্য আজ প্রায় ২৪টির মতো এএলএস/ বিএলএস সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ করে ট্রমার ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় রোগীদের প্রচন্ড অসুবিধা হয়। অনেক সময় এএলএস/ বিএলএস ব্যবস্থা না থাকলে রাস্তার মধ্যে অনেক রোগীর মৃত্যু হয়। সেই জায়গায় যাতে যথাযথভাবে রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছানো যায় এরজন্য আজ ২৪টি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এগুলি টাটা কোম্পানির তরফে খুবই সুন্দর ও ভালো গাড়ি।

আমার কাছে যা রিপোর্ট রয়েছে এই গাড়িগুলির মূল্য এক একটি প্রায় ২৪/২৫ লক্ষ টাকা। এজন্য সবমিলিয়ে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই নয়া অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার মাধ্যমে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আরো একটি নতুন পালক যুক্ত হলো। আমরা চাই যাতে কোন জায়গায় খামতি না থাকে। সেদিকে নজর রেখে কাজ করছে বর্তমান সরকার। এজন্য আমি স্বাস্থ্য দপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই। সবাই মিলে আমরা কাজ করছি। এসব অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে চারটি সংযুক্ত থাকবে ১০২ নম্বরে মা ও শিশুদের জন্য। বাকিগুলি ট্রমা কেয়ার সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

এখন অনেকটাই সুবিধা পাবে। কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলি গন্তব্যে পৌঁছে যাবে। এসব অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্সে উন্নত মানের ট্রলির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যা একজনের পক্ষেও টেনে নেওয়া সম্ভব। একদম সহজ উপায়ে রোগীকে উঠানামা করানো যাবে। আমি এসব অ্যাম্বুলেন্স সমস্ত ত্রিপুরাবাসীর জন্য উৎসর্গ করলাম। যখনই কোন অসুবিধা হবে যেকেউ এই পরিষেবার সুযোগ নিতে পারবেন।

এসকল অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে প্রশিক্ষিত কর্মীর ব্যবস্থা রাখা হবে। রোগীদের ব্লাড সার্কুলেশন যথাযথ রাখা, রেসপিরেশান যথাযথ রাখা সহ ইত্যাদি প্রাথমিক সেবা দানের ব্যবস্থা রাখা থাকবে। এজন্য যথাযথ প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উপলক্ষে আয়োজিত কার্যক্রমে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, স্বাস্থ্য অধিকর্তা সহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকগণ।

Leave a Comment