অনলাইন ডেস্ক,১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: খাদ্য ও জনসংভরণ এবং ক্রেতাস্বার্থ বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় তেলিয়ামুড়া এগ্রি রেগুলেটরি মার্কেট প্রাঙ্গণে আজ থেকে কৃষকদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া চলবে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
২০২৫-২০২৬ খারিফ মরশুমে প্রতি কেজি ধানের সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ টাকা ৬৯ পয়সা। তেলিয়ামুড়া কৃষি মহকুমার অন্তর্গত কৃষকদের কাছ থেকে এই কেন্দ্রে ধান সংগ্রহ করা হবে। দুই দিনে মোট ২৩০ মেট্রিক টন ধান সহায়ক মূল্যে ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে ধান ক্রয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন রূপক সরকার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপা দেব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন মধুসূদন রায়, তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান নির্মল সূত্রধর এবং পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুজিত দাস।
এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া কৃষি মহকুমা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক রিতেশ দে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাসক কার্যালয়ের ডেপুটি কালেক্টর প্রদীপ কুমার সরকার। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন রূপক সরকার বলেন, রাজ্য সরকারের সহায়ক মূল্যে ধান কেনার কর্মসূচি কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা ও স্বাবলম্বী হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি কৃষকদের এই সুযোগ গ্রহণ করে সরাসরি সরকারি ব্যবস্থার মাধ্যমে ধান বিক্রির আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি তেলিয়ামুড়া পাঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপা দেব বলেন, কৃষকরাই দেশের মেরুদণ্ড। তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় কর্মসূচি কৃষকদের উৎসাহিত করবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়াও উপস্থিত অন্যান্য অতিথিগণ কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে এলাকার বহু কৃষক উপস্থিত ছিলেন।








