প্রগতি ত্রিপুরা, ১৬ ডিসেম্বর,২০২৫: মহাবিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে, চিন্তাধারা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নেতৃত্বদানের বীজ বপন করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।
ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও রাজ্যের উন্নয়নে অংশীদার হওয়াও শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য। এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত এবং এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গঠন করতে মূল শক্তি হল ছাত্র সমাজ এবং যুব সমাজ।
আজ খোয়াইয়ের দশরথ দেব মেমোরিয়্যাল কলেজের উদ্যোগে নতুন টাউনহলে নবীণ বিদ্যার্থীবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ একথা বলেন।
উচ্চশিক্ষামন্ত্রী বলেন, কলেজ শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি সামাজিক জাগরণের কেন্দ্র। ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরী করার অন্যতম মঞ্চ। রাজ্য সরকার গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছে।
২০১৮ সালের আগে রাজ্যে ২২টি ডিগ্রি কলেজ ছিল। বর্তমানে রাজ্যে ২৮টি কলেজ চালু রয়েছে। আমবাসা ও করবুকে ডিগ্রি কলেজ তৈরী করা হচ্ছে।
বর্তমানে রাজ্যে সরকারি ও বেসরকারি মিলে ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ন্যাশন্যাল ইনস্টিটিউশান রয়েছে। রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করা হয়েছে। দিব্যাঙ্গ ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী সহ অতিথিগণ দেবী সরস্বতী ও ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী দেশ ও সমাজ গড়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।
খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহরায় (দত্ত) বিকশিত ভারত আত্মনির্ভর ভারত গঠনে সামিল হতে ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন দেবাশিস নাথ শর্মা, জিলা পরিষদের সদস্য অনুকুল দাস, দশরথ দেব কলেজের টিচার কাউন্সিল সেক্রেটারি ড. বাবুরাম স্বামী, বিশিষ্ট সমাজসেবী বিনয় দেববর্মা, সমীর কুমার দাস, অনিমেষ নাগ, অর্জনু ত্রিপুরা, অভিজিৎ সূত্রধর প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ছাত্রপ্রতিনিধি রাহুল বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. খোকন মজুমদার।








