প্রগতি ত্রিপুরা, ৩ অক্টোবর, ২০২৫। বিশ্রামগঞ্জ বাজারে লঙ্কাকাণ্ড! গৃহবধূ সহ তার বাবার বাড়ির লোকেদের পুলিশ হাতে তুলে দিল ব্যবসায়ীরা এক গৃহবধূ সহ তার পরিবারকে বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে তুলে দিলো বিশ্রামগঞ্জ রাজা চৌমুহনী এলাকার ব্যবসায়ী সহ পথচারীরা ঘটনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়।
জানাযায় বিশালগড় মধ্য লক্ষীবিল এলাকার আঞ্জুমান রহমান নামে ২১ বছরে এক বিবাহিত যুবতী আগরতলা অভয়নগর স্বামীর বাড়ি থেকে গত ২৭ শে অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে যায়।
১লা অক্টোবর নিখোঁজ গৃহবধূকে উদ্ধার করে আগরতলা মহিলা থানার পুলিশ।তারপর সেই গৃহবধূকে বিশ্রামগঞ্জ DPRC পুনর্বাসন সেন্টারে পাঠিয়ে দেয় প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেন্টার থেকে গৃহবধূকে তার বাবার বাড়ির লোকেরা যখন বিশালগড় মধ্য লক্ষীবিল নিজ বাড়িতে নিয়ে আসার পথে বিশ্রামগঞ্জ রাজা চৌমুহনী এলাকায় গৃহবধূ গাড়ি থেকে আচমকায় চিৎকার করতে শুরু করে।
বাজার ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হওয়াতে গাড়িটিকে আটক করার পর গৃহবধূ অঞ্জুমান রহমান বলেন তার বাবার বাড়ির সদস্যরা তার উপর আক্রমণ করে।
সে তার বাবার বাড়িতে যেতে রাজি নয়। পরবর্তী সময়ে বাজার ব্যবসায়ী সহ পথচারীরা খবর দেবে বিশ্রামগঞ্জ থানায় পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে সকলকে থানায় নিয়ে আসেন।
জানাযায় গৃহবধূ শারীরিক দিক দিয়ে কিছুটা অসুস্থ রয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাজার চত্বরে দেখা গেছে তীব্র উত্তেজনা।পরবর্তী সময়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ সমস্ত তদন্তক্রমে গৃহবধূকে তার বাবার বাড়ির সদস্যদের হাতে তুলে দেয়।
বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা জানান গৃহবধূ মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ রয়েছে তাই সেই রাস্তায় উল্টোপাল্টো কথা বলছে। সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে গৃহবধূকে বাবার বাড়ির লোকেদের হাতে তুলে দেয়।
তবে থানা চত্বরে গৃহবধূ চিৎকার করে বলতে থাকে আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী হবে আমার বাবার বাড়ির সদস্যরা।
অন্যদিকে জানা যায় গৃহবধূ তার প্রথম স্বামীকে ফেলে সোনামুড়া এলাকায় কোন এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছে। জানাজায় গৃহবধূর বাবার নাম মাহবুুর রহমান।








