মহিলাদের আত্মনির্ভর করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: শিল্পমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মধ্য প্রদেশের ধার জেলা থেকে ‘সুস্থ নারী, সশক্ত পরিবার’ কর্মসূচির সূচনা করেন। এই উপলক্ষ্যে উত্তর ত্রিপুরা জেলায়ও এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা।

ধর্মনগরের বিবেকানন্দ সার্ধ শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত হয় জেলাভিত্তিক অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে যে ‘সুস্থ নারী, সশক্ত পরিবার’ কর্মসূচির সূচনা হয় তাও সরাসরি সম্প্রচার করা হয় উত্তর ত্রিপুরা জেলার অনুষ্ঠানে।

পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য শিবির। শিবিরে নারীদের বিনামূল্যে বিভিন্ন রোগ নির্ণয় পরীক্ষা করা হয় ও পরামর্শ দেওয়া হয়। বিনামূল্যে ঔষধও প্রদান করা হয়।

জেলাভিত্তিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিল্পমন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নারীদের সুস্থ রাখার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সূচনা করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের রাজ্যের গ্রাম, পাহাড়, শহরের নারীরা বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরে গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন, বিনামূল্যে চিকিৎসাও করাতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মহিলাদের উন্নয়নে, তাদের ক্ষমতায়ণে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। স্বসহায়ক দল হোক বা অন্য কোন প্রকল্প মহিলাদের কিভাবে আত্মনির্ভর করে তোলা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

তিনি বলেন, মহিলাদের আত্মনির্ভর করার মধ্য দিয়েই আত্মনির্ভর রাজ্য তথা আত্মনির্ভর দেশ গড়ে উঠবে। গড়ে উঠবে বিকশিত ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছেন।

আমাদের রাজ্যেও এর রূপরেখা তৈরী করে কাজ করা হচ্ছে। এর জন্য ভোকাল ফর লোকাল পলিসি গ্রহণ করতে হবে। দেশীয় পণ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে।

এদিনের অনুষ্ঠানে উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা নাথ বলেন, ‘সুস্থ নারী, সশক্ত পরিবার’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীরা খুবই উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক যাদবলাল দেবনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নারীদের ক্ষমতায়ণে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি ভবতোষ দাস, ধর্মনগর পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন মিতালী রাণী দাস সেন, জেলাশাসক চাঁদনী চন্দ্রন, সিএমও ডা. দীপক চন্দ্র হালদার, সমাজসেবী কাজল কুমার দাস, জিলা পরিষদের সদস্য জয়জিৎ শর্মা প্রমুখ।

Leave a Comment