প্রগতি ত্রিপুরা, ১০ ই সেপ্টেম্বর ২০২৫: দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পুলিশ জনগণের সেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এই বিষয়টি আবারও প্রমাণিত।
আজ দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপারের কক্ষে বিগত দুই মাসে উদ্ধার হওয়া ১৯ টি মোবাইল ফোন তাদের প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দিয়ে নজির স্থাপন করল দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পুলিশ।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি নির্ভর পুলিশি ও স্বচ্ছতার উপর জোর দিলেন দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার মৌর্য কৃষ্ণ সি।
বিভিন্নভাবে হারিয়ে যাওয়া এবং চুরি হওয়া মোট ১৯ টি মোবাইল ফোন ইতিমধ্যে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা পুলিশ।
এসপি মৌর্য কৃষ্ণ সি আজ নিজ হাতে সেগুলি তার প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন। এসপির পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন মজুমদার এবং বিলোনিয়া মহকুমার পুলিশ আধিকারিক ঋষভ।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মৌর্য কৃষ্ণ সি জানান সিআইআর পোর্টালের মাধ্যমে এই মোবাইল ফোন গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি দক্ষিণ জেলায় 2025 সালের এপ্রিল মাস থেকে সক্রিয়ভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
এর মাধ্যমে নাগরিকদের মূল্যবান জিনিসপত্র ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি আরো জানান এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ জেলায় 131 টি মোবাইল ফোন হারানো এবং চুরি হওয়ার অভিযোগ দায়ের হয়েছে বিভিন্ন থানা গুলিতে।
তার মধ্যে এখনো পর্যন্ত ৬৪ টি মোবাইল ফোন সফলভাবে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারের হার প্রায় ৫০ শতাংশ।
পুলিশ আশা করে আগামী মাস গুলিতে এই হার আরো বাড়ানো সম্ভব হবে। তিনি আরো বলেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপির দূরদর্শিতা অনুযায়ী প্রযুক্তি নির্ভর পুলিশিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দক্ষিণ ত্রিপুরার 96 শতাংশ ট্রাফিক অর্থ আদায় এখন সম্পূর্ণ অনলাইন ও নগদবিহীন পদ্ধতিতে করা হচ্ছে।
যেখানে মানুষের কাছে পুলিশের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জনবিশ্বাস বাড়ছে। মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে খুশি মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকরা।
তারা পুলিশকে এবং পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বলেন দাদা ভাবতেই পারেনি কোনদিন এই মোবাইলগুলি ফিরে পাবে।
পুলিশ যে দক্ষ এখানেই তার প্রমাণ মিলে। তারা জানান পুলিশের কাছে তাদের সম্পূর্ণ বিশ্বাস যে পুলিশ ও পারে এই ধরনের কাজ করতে।
তাই সকলের কাছে আবেদন রাখেন যারা যেখানেই মোবাইল ফোন সহ যে কোন জিনিস হারানো যায় তা যেন সাথে সাথে নিকটবর্তী থানায় অভিযোগ জানান তাহলেই পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।
পুলিশ সুপার মৌর্য কৃষ্ণ সি নিজেই প্রত্যেক নাগরিকের কাছে আবেদন রাখেন যে যে কিছুই হারান না কেন সাথে সাথে যেন পুলিশের কাছে এসে অভিযোগ দাখিল করেন।








