প্রগতি ত্রিপুরা, আগরতলা, ১১ মার্চ।। তিনটি অগ্নিদগ্ধ দেহ একের পর এক বের হয়ে আসছে সোমবার রাতে বসত বাড়ি থেকে । দেহে প্রাণের সঞ্চার থাকলেও বাঁচার জন্য আত্মনাদ । চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয় অগ্নিদগ্ধা আটচল্লিশ বছরের এক মহিলার । এই মহিলা সন্তোষ সরকারের স্ত্রী । নাম টুলু রানি সরকার।মর্মান্তিক লোমহর্ষক ঘটনার সাক্ষী থাকলো বিলোনিয়া মহকুমাধীন রাজনগর পিআর বাড়ি থানার অন্তর্গত দক্ষিণ কাশারি এলাকাবাসীরা। সোমবার রাত তখন দশটা আগুনের লেলিহান শিখা দক্ষিণ কাশারি এলাকার সন্তোষ সরকারের বসত ঘরে। কি ভাবে বসত ঘরে আগুনের সুত্রপাত তা জানা না গেলেও তবে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে সন্তোষ সরকারের বাড়িতে। এলাকার পাড়া প্রতিবেশীরা আগুন দেখে খবর দেয় রাজনগর ও বিলোনিয়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরে । খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের দুইটি ইঞ্জিন। দপ্তরের কর্মী থেকে শুরু করে এলাকাবাসীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পাশাপাশি এই বাড়ির সদস্য সন্তোষ সরকার, স্ত্রী টুলু রানী সরকার, ছেলে মিঠুন সরকার বাড়ির এই তিন জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয় ।
আহতদের প্রথমে বড়পাথরী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক সেখান থেকে শান্তির বাজার জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে দেন আহতদের। আহত তিনজনের মধ্য থেকে সন্তোষ সরকারের স্ত্রী টুলু রানি সরকাের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় দক্ষিণ কাশারী এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পাশাপাশি চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আগুনের সুত্রপাত কি ভাবে হয়েছে, প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।








