প্রগতি ত্রিপুরা, আগরতলা,৭ মার্চ।।
সোনামুড়া হাসপাতাল সংলগ্ন তামশাবাড়ি উত্তর পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে পুড়ে ছাই বসত ঘর। সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। নিহত বাড়ির মালিক মোস্তফা কামাল। শেষ রাতে লাগা রহস্যময় আগুনে পুড়ে ছাই সোনামুড়া হাসপাতাল সংলগ্ন এক বাড়ির একটি ঘর। ঘটনা সোনামুড়া নগর পঞ্চায়েতের ১২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়। রাত প্রায় ৩ টায় আগুন লাগে মুস্তাফা কামালের বাড়ির একটি ঘরে। ঘরটির একপাশে বাড়ির রান্নাবান্নার কাজ চলতো অপর পাশে ঘুমিয়েছিলেন বাড়ির মালিক মুস্তাফা । আগুনের লেলিহান শিখা গোটা ঘরটিকে গ্রাস করে ফেলায় ঘরের ভেতরই মৃত্যু হয় তার। মৃত ব্যক্তি পেশায় পাকশী। মানুষের বাড়ি-ঘরের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রান্নার কাজ করতেন। তার স্ত্রী রেহেনা বেগম জানিয়েছেন তার একমাত্র ছেলে বিক্রম আলী চেন্নাইয়ে কর্মরত। গত রাতে ছেলে বৌ ও ৩ বছরের নাতনিকে নিয়ে বাড়ির অন্যঘরে ঘুমিয়েছিলেন। পাশের ঘর থেকে হঠাৎ স্বামীর চিৎকার শুনতে পান। উঠে দেখেন পরিস্থিতি ভয়াবহ। বাড়িতে অন্য কোন পুরুষ লোক না থাকায় স্বামীকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। দমলক কর্মীরা এসে পরবর্তী সময় আগুন নিভালে দেখতে পান ঘরেই পরে আছে মুস্তাফা কামালের দগ্ধ দেহ।
সকালে দিনের আলো ফুটতেই বহু মানুষ ছুটে আসেন বাড়িটিতে। বাড়ির লোকেদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরা ঘটনার পেছনে খোঁজে পাচ্ছেন নাশকতার গন্ধ। মৃত মুস্তাফা কামালের ছেলে বৌ জানিয়েছে গত ৩ তারিখ রাত প্রায় ১০ টায় প্রতিবেশী সুমন মিয়া নামের এক যুবক তার ঘরের খাটের তলায় লুকিয়ে ছিল বদ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে।সে এলাকায় বখাটে বলে পরিচিত। ঘটনা টের পেয়ে সে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে পাশের ঘর থেকে শশুর শাশড়ি ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মারধর করা হয়। এই রেশ ধরে গতকাল রাতের এই ঘটনা হতে পারে বলে অনুমান। গোটা বিষয়টি সামনে এনে থানায় মামলা করারর প্রস্তুতি নিচ্ছে মৃত পাকশীর পরিবার।








